Archive for December, 2014

PicsArt_1419447406288ফিরে দেখা ০১
ইবোলা ভাইরাস সহ পশ্চিমা বিশ্বের বিভিন্ন ঘটনার আলোকপাত।
ফিরে দেখা ০২
ভারতীয় তারকাদের সমালোচনা যেনো মিডিয়া জগতের এক আনন্দঘন পরিবেশ।
ফিরে দেখা ০৩

ফিরে দেখা০৪

খেলোয়ার ক্যালিস/ স্মিথের অবসরের বছর।।
ফিরে দেখা ০৫

মেসি,রদ্রিগেজ,নয়ার সেরাদের নিয়ে চমকপ্রদ রিপোর্ট।
ফিরে দেখা০৬

আলোচিত একটি ভিডিও।
ফিরে দেখা০৭

আলোচিত বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৪।
ফিরে দেখা ০৮

উইকিপিয়া  তৈরীকৃত ভিডিওতে বিভিন্ন ঘটনার আলোকপাত।
ফিরে দেখা ০৯

অমলিন কার্ল মার্কসকে ফিরে দেখা।
ফিরে দেখা১০

নারায়ণগঞ্জের সেভেন মার্ডার।
ফিরে দেখা ১১

আলোচিত সাকিব আল হাসানের শাস্তি প্রসঙ্গ।
ফিরে দেখা ১২

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিতর্ক
ফিরে দেখা ১৩

বিশ্ব ধনীদের উৎথান পতন।
ফিরে দেখা ১৪

সাংসদদের হাস্যরস তথ্য
ফিরে দেখা ১৫

গত ২০১৪ এর জাক জমকঁ বর্ষ বরণ
ফিরে দেখা ১৬

বিশ্বকাপ ফুলবলে যশোহরে রমরমা ভাব।
ফিরে দেখা ১৭

মিলিয়ে নিতে পারেন আপনার ২০১৪ সালের রাশি ফলের সাথে মিলে গেছে কি জীবনের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি তথ্য?
ফিরে দেখা ১৮

গণতন্ত্রের বছর ২০১৪
ফিরে দেখা ১৯

চার ছক্কা হৈ চৈ গানটি ছিল বছর জুড়ে আলোচিত।
ফিরে দেখা ২০

বিতর্কীত ৫ই জানুয়ারীর জাতীয় নির্বাচন।
ফিরে দেখা ২১

অন লাইন চিত্রে বিতর্কীত হেফাজতের শাপলা চত্ত্বর।
ফিরে দেখা ২২

বছরের শেষ আলোচিত হরতাল।বি এন পির ডাকা সভাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ পাল্টা সভা করতে চায় গাজীপুরে ।অবশেষে সেখানে ১৪৪ ধারা এর প্রতিবাদ হিসাবে বি এন পি হরতালের ডাক দেয়।সম্ভবত সোমবার ছিল বছরের শেষ হরতাল
ফিরে দেখা ২৩

আরো একটি চমকপ্রদ খবর।সারা রাত্র রামায়ণ পড়ে সকালে কয় সীতা কার বাপ,এমনো হাজারো কথার ভূল ঝুড়ির পর অবশেষে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার কর্ম কর্তারা অপারগতা স্বীকার করেন পরে স্বেচ্ছা সেবী দু’জন কি ভাবে যেন বাচ্চাটি পেয়ে হিরো হয়ে গেল সন্দেহ জনক এমন কাজটি যদিও সত্য যে বাচ্চাটি আসলে সে কি না।১৭” ব্যাসার্ধে ৬ইঞ্চি বাদ দিলে অবশিষ্ট থাকে ১১ ইঞ্চি এই ১১ইঞ্চির ভিতর দিয়ে কি ভাবে একটি ৩/৪ বছরের বাচ্চা নীচে পড়বে, আমার জানা নেই আপনারদের জানা থাকলে বলতে পারেন, এ দিকে প্রান প্রিয় সরকারের উদ্ধারকৃত সংস্হাগুলোর ঘুম যেন হারাম কনকনে শীতে সারা রাত্র কত বৈজ্ঞানিকগীরি করে শেষে রেজাল্ট চমকপ্রদ! কিছু জনগণে বা সরকারী টাকার অপচয় মাত্র ..বিশেষ বিচক্ষনতার পরিচয় দিলেন আওয়ামিলীগের স্বররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।শেষ উদ্ধারের ভিডিও ক্লিপ
ফিরে দেখা ২৪

নিয়ন্ত্রণহীন ছাত্রলীগ…সারা বছর ছুড়েই ছিল ছাত্রলীগের তান্ডব নিয়ে নিউজ…কোথাও না কোথাও শুনা যেত ছাত্রলীগের নিজেদের মাঝে ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
ফিরে দেখা ২৫
প্রশ্ন পত্র ফাসঁ…এমন কোন পরীক্ষার প্রশ্ন যার প্রশ্ন পত্র পরীক্ষার আগেই বাজারে বাংলা লিং ধরে বিক্রি হয় না।কিসের পড়ালেখা যে দেশে সকল পরীক্ষার সার্টিফিকেট ক্রয় করা যায় তবে সেই দেশে ছেলে মেয়েদের লেখা পড়া করাতে পরিবারের অর্থের অপচয়ের কোন প্রয়োজন আছে কি?
ফিরে দেখা ২৬
সম্প্রতি বিশ্বের ১০০ জন প্রভাবশালী তারকার নামের তালিকা প্রকাশ করেছে ফোর্বস ম্যাগাজিন। প্রথমবারের মতো এ তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে মার্কিন গায়িকা ও অভিনেত্রী বিয়ন্স নোলসের নাম। ১১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে ২০১৪ সালের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছেন।
ফিরে দেখা ২৭
জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে বাংলাদেশ বিশ্ব রেকর্ড গড়ল।
ফিরে দেখা ২৮
মাইক্রোসফট মোবাইল ডিভাইস অ্যান্ড সার্ভিসেস (mmds) বাংলাদেশ বিশ্বের বৃহত্তম সেলফি তোলার রেকর্ড গড়েছে।
ফিরে দেখা ২৯
২০০৯-২০১৪ পর্যন্ত বাংলাদেশের মানবিধীকারের একটি পূর্নাঙ্গ রিপোর্ট।
ফিরে দেখা ৩০
বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টে স্বাগতিক বাংলাদেশ সফর কারী জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করার মাধ্যমে ক্রিকেট ইতিহাসে নতুন স্থান নিজেদের করে নিল বাংলাদেশর মুশফিক বাহিনী।এক বা দুই বছর নয়,টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে ১২৮ বছরের সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ডের মালিক হলো বাংলাদেশের দামাল ছেলেরা।
ফিরে দেখা ৩১
মহান বিজয়ের ৪২তম বর্ষপূর্তিতে বাংলাদেশের তৈরি মানব পতাকাটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশ সময়  ৪ জানুয়ারী ২০১৪ এ স্বীকৃতির খবর প্রকাশ করা হয় গিসেন ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে
ফিরে দেখা ৩২

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় জামায়াতে ইসলামীর সহিংসতার খবর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে। তবে গণজাগরণ মঞ্চ ও দেশের সাংস্কৃতিক কর্মীদের রায় প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভের খবরটি সেভাবে উঠে আসেনি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে।যুদ্ধা পরাধীদের বিচার নিয়ে আন্তজার্তিক মহলের ভাব ছিল যড়যন্ত্র মূলক।তাদের কারো মতে গোলাম আজম ছিলেন আধ্ধ্যাতীক নেতা কেউ বলেছেন বলেছেন হিটলার।আর আমাদের হারানো বীর সন্তানদের ক্ষতি গ্রস্হ্যদের মনে শান্তি আসে স্বাধীনের ৪৩টি বছর পর।
ফিরে দেখা ৩৩
গত প্রায় সাড়ে চার বছরে ১৩ শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীর বিচার শেষ হয়েছে। স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার আলবদর বাহিনীর নেতা ১২ জন যুদ্ধা পরাধীর মধ্যে নয় জনের মৃত্যুদণ্ড এবং তিন জনের আমৃত্যু জেল দেয়া হয়। একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে।এটাকে আওয়ামিলীগ সরকারের বড় সাফল্য বলা চলে।
ফিরে দেখা ৩৪

বর্বর পাকিস্হানের তালেবান পাকিস্হানের একটি স্কুলে বোমা হামলায় ক্ষত বিক্ষত করে কোমল মতি শিশুদের যা নিঃসন্দেহে ঘৃণার কাজ।একটানা গুলি চলে পরের দশ মিনিট। তত ক্ষণে আর কেউ দাঁড়িয়ে নেই অত বড় ঘরটায়। শুধু অস্ফুট কিছু গোঙানির শব্দ। দশ মিনিট পর গুলিবৃষ্টি থামল। মিনিট খানেকের বিরতি। তার পর ফের। তবে এ বার আর এলোপাথাড়ি গুলি নয়, গোঙানির শব্দ লক্ষ্য করে করে বন্দুক চালাতে থাকে জঙ্গিরা। “আমি প্রাণপণে চুপ করে ছিলাম। এটুকু বুঝতে পারছিলাম, মুখ থেকে একটাও শব্দ বেরোনো মানে মৃত্যু,” বলে এহসান। মিনিট পনেরো পরে বাইরে থেকে গুলির শব্দ ভেসে এল। সেনা কর্মীরা এসে পাল্টা গুলি চালাচ্ছেন। সেই শব্দেই জঙ্গিরা হল ছেড়ে বেরিয়ে যায়। এহসান বলে, “তার পরেও আমি ভয়ে নড়তে পারিনি।” প্রায় দশ মিনিট পর সেনাকর্মীরা এসে উদ্ধার করার আগে পর্যন্ত বুলেট বেঁধা হাত নিয়ে বেঞ্চের নীচেই পড়ে ছিল সে। স্কুলের ওই হলঘর থেকেই পরে প্রায় একশো জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে।সময়ের কন্ঠস্বর।
ফিরে দেখা ৩৫

সিরিয়ায় বোমা হামলায় ৩৩ জনের মৃত্যু।
ফিরে দেখা ৩৬
৫ই জানুয়ারী জাতীয় নির্বাচনে ক্ষতিগ্রস্হ সংখ্যা লঘুদের আহাজারী।
ফিরে দেখা ৩৭

সোমবার গভীর রাতে দলীয় কোন্দলে নিহত হন যুবলীগ নেতা রিয়াজুল হক মিল্কি। তাকে হত্যার অভিযোগে সিসি ক্যামরায় ধারণকৃত ছবি দেখে তারই রাজনৈতিক সহযোগী অপর যুবলীগ নেতা এইচএম জাহিদ সিদ্দিকী তারেককে গ্রেফতার করে র‌্যাব। র‌্যাবের বক্তব্য অনুযায়ী বুধবার রাতে তারেকের সহযোগিরা র‌্যাবের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে চাইলে ক্রস ফায়ারে তারেকসহ দুই আসামি নিহত হন।বাংলাদেশে প্রথম ক্রসফায়ারে বলি হয় সিরাজ শিকদার।
ফিরে দেখা ৩৮
প্রায় সারা বছর জুড়ে ছিল ফরমালিন নিয়ে আলোচনা।কি খাবেন আর কি খাবেন না একটু সাবধানতা অবলম্ভন করলে আপনার কপালে খাবার জুটবে না কেননা মানুষের বেচে থাকার এমন কোন খাদ্য নেই যেখানে ফরমালিনের ব্যাবহার নেই,শেষ পর্যন্ত চালেও ফরমালিনের আতংক রটে।এ সম্পর্কিত সোনেলায় আমার একটি পোষ্ট
ফিরে দেখা৩৯
পাটের জিনোম সিকোয়েন্স উন্মোচনে নেতৃত্ব দেওয়া বাংলাদেশি বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন তার দীর্ঘদিনের কর্মস্থল হাওয়াইয়ের হনলুলুর মাটিতে।
ফিরে দেখা ৪০
কাইয়ুম চৌধুরীশিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী। কখনো নিজে ছবি আঁকছিলেন আবার কখনো ছবি আঁকার বিষয়ে বাচ্চাদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। কখনো একা একাই গাইছিলেন জাতীয় সংগীত, কখনো ঠোঁট মেলাচ্ছিলেন অন্যের গাওয়া ‘পুরোনো সেই দিনের কথা’ গানটির সঙ্গে। বলছিলেন শিল্প ও শিল্পী নিয়ে নিজের স্বপ্নের কথা।
ফিরে দেখা ৪১
বিশিষ্ট অভিনেতা খলিলউল্ল্যাহ খান আর নেই।সকালে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)। চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন তিনি।
ফিরে দেখা ৪২
বিশিষ্ট সাংবাদিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক জগলুল আহমেদ চৌধুরী সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার রাত ৮টা ১০ মিনিটে মারা যান তিনি।
ফিরে দেখা ৪৩
মাথার ওপর ভাদ্রের সূর্য ঢালছে গনগনে রোদ। শিশু থেকে বৃদ্ধ, মন্ত্রী, আমলা, সরকারি দল থেকে বিরোধী দল, ছাত্র, শিক্ষক, কর্মচারী, ব্যবসায়ী থেকে একে বারেই নাম গোত্রহীন সাধারণ মানুষ প্রখর রোদ উপেক্ষা করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে দাঁড়িয়ে আছেন লম্বা সারি দিয়ে। কারও হাতে ফুলের গুচ্ছ, কারও হাতে স্তবক। পায়ে পায়ে এগিয়ে যাচ্ছেন কালো মঞ্চে চির নিদ্রায় শায়িত নজরুল সংগীতের কিংবদন্তি শিল্পী ফিরোজা বেগমের দিকে।
ফিরে দেখা৪৪
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেনকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
ফিরে দেখা ৪৫
প্রতি বছর বেশ কয়েকটি বিষয়ের উপর বিশ্ব নোভেল প্রাইজ দিয়ে থাকেন।এবারও তার ব্যাতিক্রম হয়নি তবে এবার পাশাপাশি দুটি রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্হান যারা বরাবর একে অন্যের শত্রু হিসাবে বিবেচ্য তাদের ঘরে নোভেল প্রাইজ যেন বলে দেয় মানুষের মাঝে কোন ভেদাবেদ থাকতে নেই যা আছে রাষ্ট্রের ক্ষমতার মাঝে।এ ক্ষেত্রে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও কম নয় তারাও বিশ্বের এই বিরল সম্মান জনক প্রাইজটি পেতে পারেন।

(y) ডাউন লোড করতে ২০১৫ সালের সুন্দর একটি ক্যালেন্ডার

-{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@
কিছু কিছু মূহুর্ত ভূলা যায় না
কিছু কথা অব্যাক্ত ভাবে পড়ে থাকে
কখনও যায় না মুছে ফেলা
কিছু কিছু ভালবাসার নেই
দৈর্ঘপ্রস্হ,
নেই সীমানা ফুরিয়ে যাবার ফুলষ্টপ।

বছরে শেষের দিকে মায়ের পরোলক গমন ছিল জীবনের সব চেয়ে বড় অতৃপ্ততা।

-{@ সবাই ভালো থাকুন সুস্হ্য থাকুন..২০১৫ সাল কাটুক আনন্দময় অধ্যায়ে -{@

কৃতজ্ঞতায়: বিভিন্ন পত্রিকার লিং কপি

রাষ্ট্রের গুরুত্ত্বপূর্ণ বিভাবগুলোর মাঝে পুলিশ বাহিনী একটি।যার প্রধান মূলনীতি হচ্ছে জনগণের সেবা করা এবং জনগণের জান মালের নিরাপত্তা দেয়া।জনতার এই নির্ভর যোগ্য প্রতিষ্টানটির দায় দায়ীত্ত্ব বিশাল যা অন্য যে কোন বাহিনী থেকে তাদের প্রতি একটু ভিন্ন নজর থাকে রাষ্ট্র বা জনতার।পুলিশ সার্ভিসের যে সব সেবাগুলো আমরা বা জনগণ ভোগ করতে পারবো কিংবা সেবা দিতে বাধ্য থাকিবেন তা হলো -{@
(y) পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সাটিফিকেট
(y) গ্রেফতার হলে
(y) চেক ডিজঅনার হলে
(y) উচ্চ আদালতে মামলা হলে
(y) শ্রম আইনের সহযোগিতায়
(y) যান বাহনের মামলা
(y) ইন্টারপুলের সমস্যা
(y) বিদেশ গিয়ে বিপদে পড়লে, সোনেলার অনেক বিদেশ বিভূইয়ে বন্ধুদের জন্য দরকারী লিং
(y) ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিফেন্স
(y) লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র রাখা
(y) বাংলাদেশ পুলিশের তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর কার্যক্রম
(y) অর্থ পরিবহনে পুলিশী নিরাপত্তা
(y) বাংলাদেশ পুলিশ ও সিটিজেন চার্টার
(y) কমিনিউটি পুলিশ
(y) সিটিজেন হেল্প রিকোয়েষ্ট
(y) বিভিন্ন ফৌজদারী মামলা
(y) এজহার করতে
(y) পুলিশ ব্লাড ব্যাংক
(y) পুলিশের পদ সমুহ
(y) অনলাইন জিডি পদ্ধতি নিয়ম
(y) অভিযুক্তের আইনগত অধিকার
(y) ভিকটিম সাপোর্ট
(y) ভুমি আইন,এবং বাংলাদেশ পুলিশের সাধারন কিছু আইন
এছাড়াও এই বিভাগটি ফোনের মাধ্যমেও জনগণের সেবা দিতে বাধ্য থাকিবেন……..
(y)  ফোনে ঢাকা মেট্টোপলিটন পুলিশ,
(y) ফোনে পুলিশ সদর
(y)   ফোনে সি আই ডি
(y) ফোনে ডি আই জি ও হাইওয়ে পুলিশ
(y) (y) স্বর-বর্ণ অনুযায়ী 
ব্যাঞ্জণ বর্ণ অনুযায়ী কয়েকটি সেবা

নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করতে ফুলী ও ফুলীর বাবা নিকটস্হ থানায় অনেক আশা নিয়েই ছুটে গিয়েছিলেন কিন্তু সেই আশা যে গুড়ে বালি হয়ে যাবে ভাবতে পারেননি ফুলীর বাবা অবশেষে ভয়ে সাধারন ডায়রী করার মনস্হ করেন।থানাটি ছিল গ্রামের অনেক ভিতরে যেখানে যাতায়াতের একটি মাত্র আধা পাকা রাস্তা।স্যাত স্যাতে ভঙ্গুর অন্ধকার যুক্ত পূর্বো পুরুষদের পুরনো ফেলে যাওয়া বিল্ডিংই এখন থানা হিসাবে ব্যাবহারিত হচ্ছে।অজোপাড়া গাওয়ের থানা হিসাবে এখানকার এই থানাটি ছিল নামে মাত্র অথচ এর সমস্ত সুবিদাই ভোগ করছেন মোড়ল রশিদ মোল্লা ।পুলিশের কর্ম কর্তারা মোড়লের ইশারাই থানাটি চালান।এ রকম থানায় পুলিশ অফিসার অনেকেই বদলি হয়ে আসতে নারাজ উপরের নির্দেশে যিনিই আসেন সেই হয় রশিদ মোল্লার তালে তাল মিলিয়ে চলতে হবে নতুবা অন্যত্র বদলি হতে হবে..এ রকম ঘটনা এ থানায় ঘটেছে বহু অবশেষে বর্তমান কর্মকর্তাটি টিকে গেল।বহু বছর যাবৎ রশিদ মোল্লার হয়ে কাজ করছেন বলে।
ফুলী,চম্পা এবং তার বাবা থানায় প্রবেশে থমকে দাড়ায়….একি অবস্হা এ কি থানা নাকি মদের দোকান।থানার সম্মুখে খোলা মাঠে দূর্বা ঘ্রাসের উপর মাদুরের পাটি বিছিয়ে আরামছে বেশ কয়েক জন সদস্য মদ,তাসের খেলায় মগ্ন।ফুলীদের ভিতরে প্রবেশ করতে দেখতে পেয়ে সবাই হা করে তাকিয়ে রইল তাদের দিকে।
ফুলীরা থানার ভিতরে প্রবেশ করতেই এক পিয়ন কিছিমের লোক তাদের দেখে বিরক্তিকর ভাব নিয়ে এগিয়ে আসেন।
-কি ব্যাপার,কি চান?কেনো আইছেন?বড় স্যার বাহিরে আপনারা কালকে আসুন।
ফুলীর বাবা কথা বলতে গিয়ে যেন পিয়ন সাহেব যেন বড় সাহেব বনে গেলেন।
-বললাম না স্যার নেই।
পিয়নের সাথে তর্ক বিতর্কের সময় থানার দারোগা সাহেব শোরগোল শুনে তার রুম থেকে বেড়িয়ে আসেন।
-কি হচ্ছে …মতি মিয়া?
-না স্যার কিছু না…
এরই মাঝে ফুলী সময়ের সুযোগ নেন।
-স্যার আমরা একটা সাধারন ডায়রী করতে এসেছি।
-ও,,,ঠিক আছে ,এই মতি মিয়া… ওদের ডায়রীটা করে দেও।
-ওকে স্যার।
পিয়নের চোখে মুখে বিরক্তিকর অনুভূতির প্রকাশ।বাধ্য হয়ে কিছু আউট ইনকাম ছাড়াই নাম মাত্র ফি নিয়ে সাধারন ডায়রী করলেন ফুলী।এর পর থানা থেকে বের হবার সময় সামনে পড়েন আজরাঈল মানে মোড়লের ভন্ড ছেলে আকমল সাথে দু’একজন বন্ধু।চলার পথে তাদের কারো সাথে করোই কোন কথা হলো না শুধু হঠাৎ থমকে গতি মন্থর করে ফের দ্রুত প্রস্হান নেন ফুলীরা।

চলবে…

যৌতুকের বলি ৪র্থ পর্ব

কৃতজ্ঞতায়

শত ভাগ সরকারী কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধিতে মুদ্রাস্ফিতী বাড়ার আশংকা] সর্বোচ্চ ৮০ হাজার সর্বো নিন্মো ৮২০০ টাকা]
আমাদের স্বাধীন এই দেশটি বড়ই অভাগা কখনও প্রাকৃতিক দূর্যোগে কখনও বা রাজনৈতিক কোন্দলে,রাজনৈতিক সহিংসতায় দেশের অর্থনিতীতে প্রতি বছর বহু পরিমানে অর্থের ক্ষতি সাধিত হয় যার প্রভাব গিয়ে পড়ে মধ্য নিন্ম আয়ের মানুষের জীবন চলার আয় ব্যায়ের উপর।তার উপর সরকারী কর্মচারীদের এমন লাগাম হীন শত ভাগ বেতন বৃদ্ধিতে অবশ্যই সাধারন জনতার ক্রয়কৃত দৈনন্দিক ব্যাবহারিক জিনিস পত্রের দামের উপর প্রভাব পড়বে যা নিঃসন্দেহে,“মরার উপর খাড়ার ঘা”।বেতন বৃদ্ধিতে আপত্তি নেই কিন্তু যাদের বৃদ্ধি হয়েছে তার কুফলগুলো যদি তাদের উপরই বত্যায়তো তবে কোন প্রশ্ন থাকত না,প্রতি বছর আমরা দেখতে পাই এক দিকে সরকারী কর্মচারীদের বেতন স্কেল বৃদ্ধির আগেই বাজারে পণ্যগুলো হুড় হুড় করে বৃদ্ধি পেতে থাকে যা কন্ট্রোল করা কোন সরকারের পক্ষেই সম্ভব হয় না।কেননা সরকার বেতন বৃদ্ধি করেন কেবল মাত্র তার অধীনেস্তদের কিন্তু লক্ষ্য করলে দেখতে পাই এক জন কোটি পতি বাজার থেকে মাছ মাংস চাল ডাল যে দামে ক্রয় করবেন একজন নিম্ন মধ্য আয়ের পরিবারও সেই একই দামে তাকেও ক্রয় করতে হয়, প্রাইভেট মালিকানা চাকুরীদের বেতন কাঠামোতে সরকারের কোন হস্তক্ষেপ নেই।এখানে এর কোন ভিন্নতা নেই, নেই কোন ছাড়।তবে নিন্ম মধ্য আয়ের জনতার কি বেচে থাকার কোন অধিকার নেই?বেতন বৈষম্যের এমন রীতি বড়ই বেদনাকর।কোন এক সিনেমায় দেখেছিলাম,এক গরীব লোক জমিদারের কাছে গিয়েছিল কিছু সাহায্য চাইতে জমিদার বলেছিলেন B-)[sb]”গরীবের কোন সন্তান হতে নেই,সন্তান হলেই তাকে গলা টিপে হত্যা করে দিতে হয়”[/sb]X#(।আমাদের নিন্ম মধ্য আয়ের পরিবারের অবস্হা এখন এমনটিই যেন গরীব হয়ে জন্মানো পাপ

রসিক

Posted: December 20, 2014 in Uncategorized

1460967_557122937708518_1011478394_n-ভয়ংকর
মনের সাগরে ভয়ের ঢেউ তুল্লে
-নাইন এম এম অরজিনাল
ট্রিগার টিপে
এক সুটে মন্ডু,দরিয়ার এপার ওপাড়,

-একি করছ!যন্ত্রটা একটু সরাও
একটু ভূলে চলে যাবে তোমার জানটাও
-না,আমি নইতো অতো বোকা
তোমার তরে দিবো না প্রিয় প্রানটা,

-হুম!সত্যি কি তাই?
সে দিন তবে খেয়েছিলে কি ছাই,
বক বক করে বলেছিলে
শুধু ভালোবাস আমায়।

-লেডিস ফাষ্ট,মানলাম তোমার কথা
ভালবাসো কতখানি আমায়!
ধরো কেউ একজন ধরল,
গান টা আমার মাথায়
ট্রিগারের টিপে চলে যাবে প্রানটা
তুমিও কি দিবে তোমান সাধের জানটা।
-বলো কি!অমন অলুক্ষিনী কথা বলতে নেই
তুমি বিনে আছে কি অন্য কেউ যে,
বুঝবে আমার জীবনটা।

(3

বড় গিন্নী চলে যায় রান্না ঘরে
ছোট গিন্নী প্রবেশ করে অন্দর মহল
শালিকে পেয়ে দুলা মিয়ার মন যেন
এখন অধিক চঞ্চল।

সহ কলিগরা বলেন,
আমি নাকি ভাগ্যবান
আছে ,
আমার শালিকা ইয়া স্বাস্হ্যবান,
-কি বললেন?
-এই রে সেরেছে…না, কিছুই না।

পাশেই ছিল ছোট মেয়ে
শুনতে পেয়ে
খালা মণিকে দিলো বলে।

-খালামণি খালামণি
তুমি কি খুব বেশী মোটা?
-নাতো,,,
আমার চেয়ে আরো মোটাও আছে
-আব্বু তাহলে বলছেন, মিথ্যে।

দীঘল কালো চুল আর
কাজল নয়ন আখিঁ শ্যালিকার
রূপের এমন অপমানে,
মন মগজে ধরল যে আগুন।

বেচারা দুলা মিয়া
দুই সতিনের ঘরে আছেন
বড় জ্বালাতনে
বউকে বললে শালিকা রাগেন
শালিকে বললে বউ বকেন।

-এই রে,, গেলাম আমি বাহিরে
-কই জান, জানের জান দুলা মিয়া
উত্তরটা দিয়া যান
আমি কি দেখতে এতই খারাপ?
দুলা মিয়া ফোকলা হেসে
ওস্তাদ সে মেয়ে পটাতে
আল্লাহর কছম এই দুই চোখঁ ধইরা কই
-তুমি কেনো তোমার গুণধর বোন
খাইতে খাইতে আমার তলা শেষ
আর উনি
যেন হচ্ছেন কেবল পহাড়ের দেশ।

ও!তাই বুঝি!
হ্যা ঠিক তাই
চোখ মেলে ভালো করে দেখেন
অবাক!
শালিকা গেলো কই?

-{@ -{@ -{@ -{@

রাগবেন না, যদি রাগ উঠেই যায় তবে কি করবেন না তা এখানেই পাবেন এবং রাগের কিছু ক্ষতিকর দিক আছে যা জানা খুবই জরুরী তাও এখানেই পাবেন।মনে রাখতে হবে রাগ কেবল ধ্বংস করে সৃষ্টি করতে পারে না।

রাগ যদি উঠেই যায় তবে কিঞ্চৎ পরামর্শ নিতে পারে

(১) নবী করিম(সঃ) বলেছেন, “কেউ দাঁড়ানো অবস্থায় রাগান্বিত হয়ে পড়লে তার উচিৎ সাথে সাথে বসে পড়া এবং রাগ না কমা পর্যন্ত ওই অবস্থায় থাকা। অন্যথায় তার উচিৎ শুয়ে পড়া। {আবু দাউদ ৪৭৬৪}
[নবী করিম(সঃ) এর বর্ণিত উপায়’কে বৈজ্ঞানিকভাবে বলা যায়, শান্তভাবে পাঁচ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকলে মানুষের রক্তে নর অ্যাড্রেনালিনের পরিমাণ দ্বিগুণ বাড়ে। এর সাথে সাথে অ্যাড্রেনালিনের পরিমাণও সামান্য বাড়ে। এখানে মনে রাখা উচিৎ যে, অ্যাড্রেনালিন হরমোনটি রাগ বা মানসিক চাপের কারণে বৃদ্ধি পায়। তাই এটা পরিষ্কার হয় যে, দাঁড়ানো অবস্থায় রাগলে আমাদের শরীরে এই হরমোনের নিঃসরণ মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করে। যার নিঃসরণ আমরা বসে পড়লে অথবা শুয়ে পড়লে অনেকাংশেই কমে যায়।]

(y)   যখন কোন বিষয়ের উপর অথবা সেই বিষয় নিয়ে আমাদের রাগ প্রকাশ পায় তখন আমাদের অবশ্য কর্তব্য হচ্ছে বিষয়টি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়া। যতটুকু পারা যায় সেই চিন্তা থেকে দূরে থাকা।
(y)  আমরা ক্রমশ রাগান্বিত হতে থাকলে অন্য কিছু যা ইতি বাচক তার দিকে গভীর ভাবে মনো নিবেশ করা জরুরী।
(y)  অনেকটা মেডি টেশানের মতই, গভীর ভাবে শ্বাস নেয়া বারংবার; যা কিছু সময়ের মধ্যেই হয়তো শান্তি এনে দিতে পারে।
(y)  নিজের মনকে বোঝানো এবং সেই সাথে মনে মনে বারবার বলা, ‘শান্ত, ধৈর্য ধরো,(যখন গভীরভাবে শ্বাস নিচ্ছেন আর ছাড়ছেন)।
(y)  এমন কিছু দৃশ্য, স্মৃতি, ঘটনা মনে করা যা ক্ষণিকের জন্যে হলেও স্বস্তি দিতে পারে। ঠোঁটের কোণে একটু হাসির আভাস দেখা যায় যাতে।
(y)  কিছুক্ষণ একা থাকা। হাঁটা হাটি করতে পারেন অথবা ছোট খাটো কোন এক্সার সাইজ।
(y)  নিজেকে বোঝানো, রাগ কোন কিছুরই সমাধান হতে পারেনা। তবে যেকোন সমস্যারই একটা সমাধান আছে এবং একটু শান্ত হয়ে ভাবলেই যা অবশ্যই সম্ভব।
(y)  মন একটু শান্ত হলে; যে বিষয় বা যার উপরে রাগ তা সত্যিই কি ঘটেছিলো তা যাচাই করতে পারেন। নিজের ভুল হলে তা শুধরে নিতে পারেন।

রাগকে অনুরাগে আনুন সবাই সুস্হ্য থাকুন -{@

শহীদ সব মুক্তিযোদ্ধাদের উত্সর্গ করে এ টি এন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান নির্মাণ করেন মুক্তিযুদ্ধের দুর্লভ এক ভিডিওচিত্র, এই প্রজন্মে কেউ যদি মুক্তিযুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস সম্পর্কে জানতে চায় তাহলে এই ভিডিও চিত্র এক সহায়ক হিসেবে কাজ করবে, এখানে জানা যাবে “৫২-র ভাষা আন্দোলন”, “৬৯-র গণ-অভ্যুত্থান” এবং “৭১-র মহান মুক্তিযুদ্ধের অনেক অজানা ছবি এবং ঘটনার বিবরণ।

বিগত ৪৪টি বছর যে যখন ক্ষমতায় তখনই ইতিহাসকে বিকৃত করে হলেও নিজেদেরকে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ভাব দেখাতে ব্যাতি ব্যাস্ত ছিল অন্য দিকে প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধা স্বাধীন চেতনা দলটি মুক্তিযুদ্ধকে শুধু মাত্র নিজেদের মাঝে কুক্ষিগত করে রাখায় অনেকে এর মহান নেতাকে কটুক্তি করে কথা বলতেও দ্বীধাবোধ করেন না।
মনে রাখতে হবে এ দেশ আমার নয় আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অবদান কেবল আমার নয় সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের যারা তখন যুদ্ধ করেছিল কিংবা যুদ্ধে শহীদ হয়েছিল।

মুক্তি যুদ্ধে যাদের অবদান ছিল যারা জীবনকে বাজি রেখে যুদ্ধের বৈঠা ধরেছিল…কেউ হারিয়েছে মাকে কেউ বা বাবাকে এমন স্বজন হারা অনেক যোদ্ধার খবর আমরা নেই নি স্বপ্নেও ভাবিনি ওদের আত্ত্ব ত্যাগের কথা।ক্ষমতার পালা বদলে তৈরী পোলার বাপ হয়েছিলাম।

সব চেয়ে অবহেলা করেছি নারী যোদ্ধাদের তাদের বেচে থাকার অমূল্য সম্পদ হারানোর কোন প্রতিদানই আমরা দিতে পারিনি বরং উল্টো তাদের বেশ্যা বলে অপবাদ দিয়েছি।

এখনও সময় আছে তাদের মূল্যায়ণ করে যোগ্য সম্মান দেয়ার।

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-১মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-২
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-৩
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-৪
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-৫
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-৬
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-৭
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-৮
মুক্তিযু্দ্ধের ইতিহাস-৯
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-১০
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-১১

সম্পূর্ণ ডকুমেন্ট এখানে

বিচারপতির বিচার করবে যারা আজ জেগেছে এই জনতা…

মোরা একটি ফুলকে বাচাব বলে যুদ্ধ করি…………… 

সালাম সালাম হাজার সালাম সকল শহীদের স্বরণে………..

এক নদী রক্ত পেরিয়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা………….

বিজয় নিশান উড়ছে ঐ………………

সোনেলা ব্লগের

আমার প্রিয় দুই বন্ধুর প্রহেলিকাব্লগার সজীব পোষ্টকৃত পোষ্ট হতে সংগৃহিত এবং নিজেদের কিছু কথা……………।

 

মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা.

বাংলাদেশকে জানুন…………….

1966918_590840221021060_5287537326258469802_n///////////////////////////////////////////////
যুদ্ধ এখনও থামেনি
যুদ্ধ মনে যুদ্ধ বিবেকে
যুদ্ধ চলছে প্রতিটি বাংলাদেশীর হৃদয়ে
আবারও
আরো একটি বিজয় দিবসের অপেক্ষায়।
যুদ্ধ এখনও থামেনি
যুদ্ধ বাংলার পবিত্র মৃত্তিকায়
যেখানে শকুনেরা
আজও বাধাহীন ভাবে ঘুড়ে বেড়ায়।
যুদ্ধ এখনও থামেনি
যুদ্ধ করেছিল সেই ‘৭১ এ ফুলীরা
আজও কাদে অন্ধকারে নিজেকে লুকিয়ে
পায়নি তাদের প্রাপ্য সন্মান খেতাবটি, বীরাঙ্গনা।
যুদ্ধ এখনও থামেনি
যুদ্ধে শহীদ কত কত উঠতি যুবক
বিচার চাইতেই জ্বলসে উঠে
নর পিচাশ রাজাকারের বাণী।
যুদ্ধ এখনও থামেনি
যুদ্ধে দিন চলে হাজারো ফুলীর জীবনের করুণ কাহিনী
হাজারো গাজীর ইতিহাস পড়ে রয় আনাচে কানাচে
সেই হায়নার দাপটে আবারো ইতিহাসে কলঙ্ক লাগে।
যুদ্ধ এখনও থামেনি
যুদ্ধের বোমার শব্দে ভূমিষ্ট নতুন প্রজন্ম
ভূলিনি, যায় না ভোলা স্তুব স্তুব লাশের পাহাড়
আসবেই সেই দিন রাজাকারের চিহ্ন হবে,
হবেই বিলীন।
যুদ্ধ এখনও থামেনি
হঠাৎ গর্জে উঠার মানষিকতাও কমেনি
এসেছে সেই শপথের দিন
মা,
আর একটি বার অনুমতি দাও ফের যুদ্ধ করিবার ।

0 (159)মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্যের কথা তুললে প্রথমেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ঢাকার ‘অপরাজেয় বাংলা’র ছবি। তারপর বহু ভাস্কর্য হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয় নিয়ে। নগরীর মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্যগুলো দেখলেই একাত্তরের ৯ মাসের ঘটনার চাক্ষুস দেখা মেলে। এসব ভাস্কর্যের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে বাঙালির প্রতিবাদ, মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি, ত্যাগ, তিতিক্ষা, গতি-উদ্যমের প্রতীক, বীরত্ব, গণ হত্যা সহ অসংখ্য চিত্র। যা বর্তমান প্রজন্মকে যেন ফিরিয়ে নিয়ে যায় সেই একাত্তরে। বেশিরভাগ ভাস্কর্যই হয়েছে কেবল মুক্তি যুদ্ধের ভয়াবহ ও বীরত্ব নিয়ে। তবে হয়নি কেবল বিকৃত রাজাকার আর আলবদর নিয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘ঘৃণা স্তম্ভ’ নামে একটি স্তম্ভ তৈরি করে রাজাকার-আল বদরের ঘৃণা জানালেও তার স্থায়ী রূপ পায়নি।
স্বোপার্জিত স্বাধীনতা
ব্যাস্ত ণগরী ঢাকায় ভাষ্কর শামীম শিকদারের একাধিক ভাষ্কর্য থাকলেওসবচেয়ে বেশি পরিচিতি লাভ করেছেন স্বোপার্জিত স্বাধীনতা নির্মাণের জন্য।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সড়কদ্বীপে নির্মাণ করা হয়।১৯৮৮ সালের ২৫শে মার্চ এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
১৭ ফুট উঁচু ভাষ্কর্য।সাদা মার্বেল এবং মার্বেল ডাস্ট এবং সাদা সিমেন্টসে গড়া।চৌকো বেদির উপর নির্মিত ভাষ্কর্যটির একদম উপরে বামে আছে মুক্তি যোদ্ধা কৃষক আর ডানে রয়েছে অস্ত্র হাতে দুই মুক্তি যোদ্ধা।এ ভাস্কর্যটি মাটি থেকে ১৮ ফুট উঁচু। আজো সব অধিকার আদায়ের আন্দোলন-সংগ্রামের প্রধান কেন্দ্রে আছে ভাস্কর্যটি। এর নির্মাতা ভাস্কর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ।
১৯৫২ থেকে স্বাধীনতা আন্দোলন পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনার উপর আলোকপাত করে গড়ে তোলা হয়েছে এই ভাষ্কর্যটি। প্যানেলের ফাঁকে ফাঁকে রয়েছে বিভিন্ন স্লোগান। স্বাধীন দেশের পতাকা ওড়ানোর জন্য বাঙ্গালী যে পরিমাণ রক্ত দিয়েছে, নির্যাতন সয় তার প্রায় ক’টি খন্ড চিত্র বেদির চারপাশে চিত্রায়িত হয়েছে। বেদির বাম পাশে রয়েছে ছাত্র-জনতার অপর অত্যাচারের নির্মম চেহারা।
রেলওয়ের শহীদের স্মরণে
একাত্তরের ৯ মাসে প্রাণ দিয়েছে হাজারো রেল কর্মকর্তা-কর্মচারী। তাদের স্মরণে নগরীর কমলাপুর রেলস্টেশনের সামনে স্থাপিত হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ভাস্কর্য। উঁচু বেদির ওপর বসানো হয়েছে আস্ত একটি রেলের ইঞ্জিন। তার ওপর মুক্তিযোদ্ধার হাত বেয়োনেটসহ রাইফেল উঁচিয়ে ধরেছে। পাশেই উড়ছে বিজয় নিশান। রেল ইঞ্জিনের নিচে বেদির চারপাশে সিমেন্টে তৈরি ম্যুরালে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বায়ান্ন থেকে একাত্তরের বিজয়ের ক্ষণটি পর্যন্ত।
একাত্তর স্মরণে
মুক্তি যুদ্ধের এক অনন্য ভাস্কর্য এটি। বাংলা একাডেমি ভবনের প্রধান ফটকের ডান পাশের দেয়ালে স্থাপিত রয়েছে ভাস্কর্যটি। ব্রোঞ্জ কাস্টিংয়ের এ ভাস্কর্যে এক গ্রামীণ যোদ্ধা অস্ত্র হাতে এগিয়ে যাচ্ছে। তার চারপাশে আছে ব্রোঞ্জ কাস্টিংয়ে তৈরি ম্যুরাল। সেখানে তুলে ধরা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধকালের কটি খণ্ড চিত্র।
988428_10201211923126713_2085086071_n

শিখা চিরন্তন

সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা আন্দোলনের বহু স্মৃতি বিজড়িত স্থান। একাত্তরের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু এখানে জাতির মুক্তির সনদটি ঘোষণা করেছিলেন। ১৬ ডিসেম্বর এখানেই পাকবাহিনী আত্মসমর্পণ করে। তাই এ উদ্যানটিতে ‘স্বাধীনতা স্তম্ভ’ নির্মাণের পরিকল্পনা হয়। এই অংশ হিসেবে ১৯৯৭ সালের ২৬ মার্চ এ শিখা চিরন্তন উদ্বোধন করেন বিশ্বের চার রাষ্ট্রপ্রধান নেলসন ম্যান্ডেলা, ইয়াসির আরাফাত, সুলেমান ডেমিরেল ও বাংলাদেশের তৎকালীন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মুক্তি যুদ্ধের সেক্টর ভাস্কর্য
মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এমএজি ওসমানী। সে কথা মাথায় রেখে এ ভাস্কর্য নির্মিত হয় ওসমানী উদ্যানে। পর্যায়ক্রমে ১১টি সেক্টরের জন্যই এমন ভাস্কর্য তৈরি হবে। মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ভাস্কর্যের সাদা দেয়ালের মাঝখানে খচিত বাংলাদেশের মানচিত্র। মানচিত্রে দুই নম্বর সেক্টরকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর পাশেই কালোর মধ্যে সাদা রঙে লেখা ইংরেজি হরফ ‘কে’। দুই নম্বর সেক্টরের কমান্ডার খালেদ মোশারফের নামের প্রথম অক্ষর।
শহীদ বুদ্ধি জীবী স্মৃতি সৌধ
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে নির্মিত এ স্মৃতিসৌধ। এতে বিশাল প্রাঙ্গণে বেদির ওপর বসানো রয়েছে শ্বেতপাথরের এক ফলক। বেদির চারপাশ দিয়ে নেমে গেছে সিঁড়ি। চারটি দেয়াল ও বেদি সবই লাল ইটে তৈরি। ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে এ বেদি ফুলে ভরে ওঠে। ১৯৭২ সালের ২২ ডিসেম্বর এ স্মৃতিসৌধের ফলক উšে§াচন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
রাশার ’৭১-এর গণহত্যা:
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হত্যা করা হয় অসংখ্য বাঙালিকে। সেই শহীদদের স্মরণে এ ক্যাম্পাসে নির্মাণ করা হয়েছে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও গণহত্যা নিয়ে একটি ভাস্কর্য। এটি গড়েছেন ভাস্কর রাশা। ভাস্কর্যটির একাংশের নাম ‘মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি’ ও অন্য অশেংর নাম ‘’৭১-এর গণহত্যা’। পাকিস্তানি হানাদারদের বর্বরতা চিত্রই ফুটে উঠেছে এ ভাস্কর্যে।
রাজার বাগের চির দুর্জয়:
একাত্তরের ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ করেন রাজারবাগের পুলিশ বাহিনী। সে শহীদদের স্মরণে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে নির্মিত হয় ‘চিরদুর্জয়’। একটি বেদির ওপর দাঁড়ানো পাঁচ যোদ্ধা। আছেন কৃষক, শ্রমিক ও পুলিশ বাহিনীর সদস্য। তাদের তিনজন লাইফেল হাতে, একজন ছুড়ছেন গ্রেনেড আর একজন পতাকা হাতে যাচ্ছেন এগিয়ে। ভাস্কর্যটি মৃণাল হকের গড়া।

ময়মনসিংহ৭১’র স্মৃতিচিহ্ন ভাষ্কর্য ।

১৯৭১ সালে সমগ্র বাংলাদেশে পাক বাহিনী ও তার দোষর রাজাকার আলবদর বাহিনীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে অকাতরে প্রাণ দেন অগনিত মানুষ। ময়মনসিংহের মানুষ বাদ পড়েনি ।ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলা শহরের পাড়া টঙ্গীতে ময়লা খানা সংলগ্ন আয়মন নদীর তীরে মুক্তি যুদ্ধকালীন অগনিত মানুষকে হত্যার পর লাশ ফেলে রাখা হয় ।দেশ স্বাধীনের দীর্ঘদিন পর বিংশতাব্দীতে সাবেক গণপরিষদ সদস্য , পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক খোন্দকার আব্দুল মালেক শহীদুল্লার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ময়লা খানার আয়মন নদীতীরে বদ্ধভূমিতে স্থাপন করা হয় পৃথক দু’টি ভাষ্কর্য । এই ভাষ্কর্যদুটি যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে ধবংস হয়ে যাচ্ছে । এলাকাবাসী ভাষ্কর্য গুলিকে লাকড়ি শুকাতে এবং গরু ছাগল লালন- পালন করতে ব্যবহার করছে । শুধু এদু’টি ভাষ্কর্যই নয় উপজেলার বিভিন্নস্থানে প্রতিষ্ঠিত ভাষ্কর্যগুলির একই অবস্থা যা কেবল ১৬ই ডিসেম্ভর এলেই মনে পড়ে।
চেতনা ৭১’ ভাষ্কর্য
অবস্থানঃ শাহ জালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ে অবস্থিত চেতনা ৭১’ মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম স্মারক ভাষ্কর্য।
আকারঃ ভাস্কর্যের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধির জন্য এবং একাডেমিক ভবন গুলোর লাল ইটের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ভিত্তি বেদিটি ৩ টি ধাপ বানানো হয়েছে। এই বেদিটি তৈরি লাল ও কালো সিরামিক ইট দিয়ে। তিনটি ধাপের নিচের ধাপের ব্যাস ১৫ ফুট, মাঝের ধাপ সাড়ে ১৩ ফুট এবং উপরের ধাপটি ১২ ফুট। প্রত্যেকটি ধাপের উচ্চতা ১০ ইঞ্চি। বেদির ধাপ ৩টির উপরে মুল বেদিটি ৪ ফুট উচু, তার উপরে রয়েছে ৮ ফুট উচ্চতার মূল ফিগার।
এই ভাষ্কর্যটির একটি অনন্য বৈষিষ্ট্য হল ভাস্কর্যটিতে বর্তমান সময়ের শিক্ষার্থীদের আদলে অবয়ব তৈরি করা হয়েছে। পোশাক ও আনুষঙ্গিক উপকরণেও রয়েছে বর্তমান সময়ের ছাপ।মডেলে ছাত্র হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ও পরে তুলে ধরার ভঙিমায় দাঁড়িয়ে এবং ছাত্রীর হাতে রয়েছে বই, যা বাংলাদেশের সংবিধানের প্রতীক নির্দেশ করে।দূর থেকে দেখলে মনে হয় খোলা আকাশের নিচে ভাষ্কর্যটি নির্ভীক প্রহরীর মত স্বাধীনতা এবং সার্বোভৌমত্ব রক্ষা করার জন্য মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
সাত বীরশ্রেষ্ঠর বালি ভাষ্কর্য।
সকালে লাখো কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের সাথে অংশ নেয় প্রচুর সংখ্যক পর্যটক। বিকালে সৈকতের বালিয়াড়িতে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয় আকর্ষণীয় ব্যান্ডশো। সব মিলে দীর্ঘতম সৈকতে এবারের স্বাধীনতা দিবসটিতে জমজমাট অনুষ্টান উপভোগ করেছেন পর্যটকরা।
সৈকতের লাবণী পয়েন্টের বালিয়াড়িতে গড়ে তোলা সাতজন বীর শ্রেষ্ঠর বালি ভাষ্কর্য দেখতে সারাক্ষণই ভীড় জমায় সমাগত বিভিন্ন বয়সের পর্যটক।

 নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন চত্বরে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সু-উচ্চ ভাষ্কর্য উদ্বোধন করানির্মিত ভাষ্কর্যটি ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের আদলে তৈরি করা হয়েছে। ভাষ্কর্য নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় সোয়া কোটি টাকা। মাটি থেকে ভাষ্কর্যটির উচ্চতা প্রায় ৩৫ ফিট।

জাগ্রত চৌরাঙ্গী:
মুক্তি যুদ্ধের মহান শহীদদের অসামান্য আত্মত্যাগের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য। ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক জাগ্রত চৌরঙ্গীর ভাস্কর। বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর উদ্যোগে ১৯৭২-৭৩ সালে এটি নির্মাণ করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় নির্মিত এটিই প্রথম ভাস্কর্য। ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চের আন্দোলন ছিল মুক্তি যুদ্ধের সূচনা পর্বে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধ। আর এই প্রতি রোধ যুদ্ধে শহীদ হুরমত উল্যা ও অন্য শহীদদের অবদান এবং আত্মত্যাগকে জাতির চেতনায় সমুন্নত রাখতে স্থাপন করা হয় দৃষ্টি নন্দন স্থাপত্য কর্ম জাগ্রত চৌরঙ্গী।
জয়দেবপুর চৌরাস্তার সড়কদ্বীপে।
রি-ইনফোর্সড সিমেন্ট ঢালাইয়ে নির্মিত আঠারো ফুট উঁচু এ ভাষ্করটি ২২ ফুট উঁচু একটি বেদীর ওপর প্রতিষ্ঠিত।দৃঢ়ভাবে ভূমির সঙ্গে আবদ্ধ দুই পায়ে স্থির অচঞ্চল দাঁড়িয়ে থাকা গ্রাম্য মুক্তিযোদ্ধার এই অবয়বধর্মী ভাস্কর্যটির এক হাতে রাইফেল অন্য হাতে উদ্যত গ্রেনেড। যে-কোনো আক্রমণ প্রতিরোধে প্রস্তুত এমন বোধের জন্ম দেওয়াই বোধহয় ভাস্করের উদ্দেশ্য ছিল। বেদির চারদিকে ২০৭ জন শহীদ মুক্তি যোদ্ধার নাম লেখা রয়েছে। ভাষ্কর্যটির শিল্পরীতি সম্পর্কে স্থপতি রবিউল হুসাইন বলেন, হয়তো সেটা গিতিহীন, আরো দূর্বার শক্তিতে সঞ্চারিত হবার অপেক্ষা রাখে- এরকম সমালোচনা করা যায়। তবুও এটির উজ্জ্বল উপস্থিতিকে অস্বীকার করা যায় না।
তিন ফিগার:
শুশ্রুষার কোমলতা শুধু নয়, ফার্স্ট এইড বক্সের বেল্ট ধরা তরুণীর মুখাবয়বের দৃপ্ত কাঠিন্য চমৎকার। মুক্তিযুদ্ধে নারী সমাজ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সম্পন্ন করেছে, যুগিয়েছে সাহ, আর্তের চিৎকারে শুশ্রুষা সেবায় হয়েছে ভাস্বর। সহ যোদ্ধার সঙ্গে একাত্মতা ত্বরাণ্বিত করেছে স্বাধীনতা। মডেল- হাসিনা আহমেদ।
এর পরের ফিগার গ্রামীণ মুক্তিযোদ্ধার। হাতে তার উষ্ণ গ্রেনেড, ডান হাত দৃঢ় প্রত্যয়ে ধরে রেখেছে রাইফেলের বেল্ট। বৃহত্তর জন গোষ্ঠীর প্রতিনিধি এই মুক্তিযোদ্ধার চোখ-মুখ স্বাধিকার চেতনায় উদ্দীপ্ত, নিরাপোষ। মডেল- বদরুল আলম বেণু।
তার পরের ফিগারটি বিশ্ব বিদ্যালয় ছাত্রের। থ্রি নট থ্রি রাইফেল হাতে দাঁড়ানো, সাবলীল কিন্তু তেজী ভঙ্গি। ভায়োলেন্সের চিহ্ন তার অস্তিত্বে প্রকাশিত, শত্রু হননের প্রতিজ্ঞায় অটল। মডেল- সৈয়দ হামিদ মকসুদ ফজলে।

সংশপ্তক
মুক্তিযুদ্ধের ভাষ্কর্যচর্চায় ভিন্ন মাত্রা যোগ করেন ভাষ্কর হামিদুজ্জামান। তাঁর অন্যতম বড় মাপের কাজ ‘সংশপ্তক’। সংশপ্তক বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিতর্পণমূলক ভাস্কর্যগুলোর অন্যতম।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এক পায়ের ওপর ভর করে দাঁড়িয়ে আছে এ ভাস্কর্যটি।১৯৯০ সালের ২৬ মার্চ এই ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়। এটি উদ্বোধন করেন তৎকালীন জাবির উপাচার্য অধ্যাপক কাজী সালেহ আহম্মেদ।
আকার
বেদূঈর উচ্চতা ১৫ ফুট এবং মূল ভাষ্কর্যের উচ্চলা ১৩ ফুট। মূল ভাস্কর্যটি ব্রোঞ্জ ধাতুতে তৈরি। এছাড়া এটি নির্মানে লাল সিরামিক ইট ব্যবহার করা হয়েছে। ভাষ্কর্যটির জ্যামিতিক ভঙ্গি এনেছে গতির তীক্ষ্ণতা।
১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ৩০ লক্ষ শহীদের তাঁজা প্রাণ ও দুই লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল বাঙালি জাতি। তাদের এ আত্মত্যাগের বিনিময়ে জন্ম হয়েছে বাংলাদেশ নামে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র। ১৯৭১ সালের বিজয় দিবস কে স্মরণ রাখার জন্য বিভিন্ন জায়গায় তৈরি করা হয় স্মৃতিস্তম্ভ । সেই রকম ভা+৬বে বাঙালি জাতির এই গৌরব ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকে ধরে রাখতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণ করা হয়েছে স্মারক ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক’। শিল্পী হামিদুজ্জামান খান ভাস্কর্যটিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ব্রোঞ্জের শরীরে প্রতীকী ব্যঞ্জনায় প্রকাশ করার চেষ্টা করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের গৌরবজ্জল ইতিহাস, ঐতিহ্য ও চেতনাকে এতে দৃশ্যমান করা হয়েছে।‘ সংশপ্তক’ হলো ধ্রুপদী যোদ্ধাদের নাম। মরণপন যুদ্ধে যারা অপরাজিত। এ ভাস্কর্যটির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত, এক পা হারিয়েও রাইফেল হাতে লড়ে যাচ্ছেন দেশমাতৃকার বীর সন্তান। মাতৃভূমিকে শত্রুমুক্ত করা যাদের স্বপ্ন, শত্রুর বুলেটের সামনেও জীবন তাদের কাছে তুচ্ছ। সংশপ্তকের গায়ে প্রতিফলিত হয়েছে ধ্রুপদী যোদ্ধাদের দৃঢ় অঙ্গীকার। যুদ্ধে নিশ্চিত পরাজয় জেনেও লড়ে যান যে অকুতোভয় বীর সেই সংশপ্তক। আগামী প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস চেতনাকে দৃশ্যমান করার লক্ষেই ‘সংশপ্তক’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। তাছাড়া মহান মুক্তিযুদ্ধের অকুতোভয় বীরদের স্মরণেও এটি নির্মাণ করা হয়েছে।আরো অনেক পরে সংশপ্তক অনুসরণে ঢাকার পান্থপথে ইউটিসি সেন্টারে একটি ঝুলন্ত-ভাস্কর্য তৈরি করেন। স্টেনলেস ইস্পাতের সরু নলকে পরস্পরের সঙ্গে জুড়ে নির্মিত এই ভাস্কর্যটিও অনবদ্য।
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম বহিরাঙ্গন ভাষ্কর্যটি হল ‘মুক্তিযোদ্ধা’।
অবস্থান- ঢাকার প্রবেশমুখে গাজীপুর চৌরাস্তার সড়কদ্বীপে ( স্থানটি প্রথম পর্বে উল্লেখিত জাগ্রত চৌরঙ্গী-র নামেও পরিচিত)
আকারঃ রি-ইনফোর্সড সিমেন্ট ঢালাইয়ে নির্মিত আঠারো ফুট উঁচু একটি বেদির ওপর প্রতিষ্ঠিত, দৃঢ়ভাবে ভূমির সঙ্গে আবদ্ধ দুই পায়ে স্থির অচঞ্চল দাঁড়িয়ে থাকা গ্রাম্য মুক্তিযোদ্ধার এই অবয়বধর্মী ভাস্কর্যটির এক হাতে রাইফেল অন্য হাতে উদ্যত গ্রেনেড।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রথম ভাস্কর্য জাগ্রত চৌরঙ্গী
ধ্রুপদী ঢং-এ গড়ে তোলা একটি ভাষ্কর্য। ভাষ্কর্যটির প্রণেতা আব্দুর রাজ্জাক। বাংলাদেশের ভাষ্কর্যের ভিন্নতা এবং আধুনিকতার অন্যতম পথিকৃৎ শিল্পী আবদুর রাজ্জাক। সেনাবাহিনীর উদ্যোগে এই ভাষ্কর্যটি নির্মাণ করা হয়। ভাষ্কর্যটির এরকম অবয়ব থেকে যে-কোন আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য প্রস্তুত এমন বোধের ইঙ্গিতই পাওয়া যায়। স্বাধীনতোত্তরকালে এটিই সম্ভবত আব্দুর রাজ্জাকের নব্য – ধ্রুপদী ঢং-এ তৈরি শেষ ভাষ্কর্য।
অঙ্গীকার
চাঁদপুর শহরের মুক্তিযোদ্ধা সড়কের পাশের লেকে হাসান আলী সরকারি হাইস্কুল মাঠের সামনে একাত্তরেরশহীদ স্মরণে নির্মিত হয়েছে ‘অঙ্গীকার’।বেদি থেকে ২২ ফুট ৭ ইঞ্ছি উঁচু। সিমেন্ট, পাথর এবং লোহা দিয়ে তৈরি ভাষ্কর্যটি।
ভাষ্কর্যটির স্থপতি ‘অপরাজেয় বাংলা’র ভাষ্কর শিল্পী সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ। ১৯৮৮ সালে ভাষ্কর্যটি স্থাপিত হয়। চাঁদপুরের তৎকালীন জেলা প্রশাসক এস এম শামছুল আলমের প্রচেষ্টায় ১৯৮৯ সালে দৃষ্টিনন্দন এ ভাস্কর্যটি উদ্ভোদন করা হয়। একটী মুষ্টিবদ্ধ ভাষ্কর্যটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। মুষ্টিবদ্ধ হাতে ধরা স্টেনগানে রয়েছে দৃঢ়তা ও প্রত্যয়ের প্রতিচ্ছবি। জ্যোৎস্না রাতে চাঁদের আলোয় অঙ্গীকারকে অপরূপ দেখায়।
স্বাধীনতা সংগ্রাম
স্বাধীনতা সংগ্রাম বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ভাষ্কর্য এটি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুলার রোডে সলিমুল্লাহ হল,জগন্নাথ হল ও বুয়েট সংলগ্ন সড়ক দ্বীপে স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাস্কর্যটি স্থাপিত। ১৯৫২-১৯৭১ সালের বিভিন্ন আন্দোলনে নিহত ১৮জন শহীদের ভাষ্কর্য দিয়ে স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাষ্কর্যটি নির্মিত। সবার নিচে রয়েছে ভাষা শহীদের ভাষ্কর্য এবং সবার উপরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষ্কর্য। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকাটিও স্থান পেয়েছে শীর্ষে।ভাষ্কর্যটির উচ্চতা ৬০ ফুট এবং পরিসীমা ৮৫.৭৫ ফুট।
মূল ভাষ্কর্যকে বেষ্টিত করে আরো অনেক ভাষ্কর্য নির্মিত হয়েছে সড়কদ্বীপে। শ্বেত শুভ্র রঙ্গে গড়া মোট ১১৬টি ভাষ্কর্যের সবক’টিই শামীম শিকদারের তৈরি।
“নিতুন কুন্ডের ভাষ্কর্য”
শাবাশ বাংলাদেশ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক দিয়ে ঢুকলেই মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেরা ভাষ্কর্যগুলোর একটি ‘শাবাশ বাংলাদেশ’ দেখতে পাওয়া যায়।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের দক্ষিণে। ১৯৯১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারী এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
৪০ বর্গফুট জায়গা উপর ভাস্কর্যটি দাড়িয়ে আছে ।রয়েছে দুজন বীর মুক্তিযুদ্ধার প্রতিকৃতি। একজন রাইফেল উচু করে দাঁড়িয়ে আর তার বাঁ বাহুটি মুষ্টিবদ্ধ করে জাগানো। খালি গা, নগ্ন পা, লুঙ্গি পরা- যা গ্রাম বাংলার যুবকের প্রতিনিধিত্ব করে। অন্যজন রাইফেল হাতে দৌড়ের ভঙ্গিতে রয়েছে। ১২ ফুট উচ্চতায়- শহুরে যুবকের প্রতীক। পরনে প্যান্ট, মাথায় এলোমেলো চুলের প্রাচুর্য যেন আধুনিক সভ্যতার প্রতীক ।
এ দু’জন মুক্তিযুদ্ধার পেছনে ৩৬ ফুট উঁচু একটি দেয়ালও দাড়িয়ে আছে। দেয়ালের উপরের দিকে এক শুন্য বৃত্ত যা দেখতে সূর্যের মতোই। ভাস্কর্যটির নিচের দিকে-ডান ও বাম উভয় পাশে ৬ ফুট বাই ৫ ফুট উঁচু দুটি ভিন্ন চিত্র খোদাই করা হয়েছে। ডানদিকের দেয়ালে রয়েছে দু’জন যুবক –যুবতী চিত্র। যুবকের কাঁধে রাইফেল, মুখে কালো দাড়ি, কোমরে গামছা বাধা যেন এক বাউল প্রতিকৃতি। আর যুবতীর হাতে একতারা। গাছের নিচে মহিলা বাউলের ডান হাত আউলের বুকে। বাম দিকের দেয়ালে রয়েছে আরেক চিত্রপট। মায়ের কোলে শিশু, দু’জন যুবতী একজনের হাতে পতাকা। গেঞ্জী পড়া এক কিশোরপতাকার দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছে । এই ভাষ্কর্যটি নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছে কংক্রিট।
এটি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী তরুণ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতীকী ভাস্কর্য। বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের যে প্রতীকি ভাস্কর্যগুলো রয়েছে তার মধ্যে প্রকাশভঙ্গীর সরলতা, গতিময়তা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার তেজস্বী প্রকাশ এবং নন্দন তাত্বিক দিক থেকে এই ভাস্কর্যটি অনবদ্য ।স্বাধীনতার এক জ্বলন্ত সাক্ষ্য। ১৯৬৯ সালের গণ আন্দোলনের সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মকর্তা ও কর্ম চারীদের বলিষ্ঠ সাহসী ভূমিকা ছিল। ঘটনার আর্বতনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলেই তাতে জড়িয়ে পড়েন। অধ্যাপক ড. শামসুজ্জোহা শাহাদাৎ বরণ করেন।

সহযোগিতায়:বিভিন্ন ব্লগ,মানব কণ্ঠ,এবং অন লাইন

অদ্ভুত আঁধার এক

অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ পৃথিবীতে আজ,
যারা অন্ধ সবচেয়ে বেশি আজ চোখে দেখে তারা;
যাদের হৃদয়ে কোনো প্রেম নেই-প্রীতি নেই-করুনার আলোড়ন নেই
পৃথিবী অচল আজ তাদের সুপরামর্শ ছাড়া।
যাদের গভীর আস্থা আছে আজো মানুষের প্রতি,
এখনো যাদের কাছে স্বাভাবিক বলে মনে হয়
মহৎ সত্য বা রীতি, কিংবা শিল্প অথবা সাধনা
শকুন ও শেয়ালের খাদ্য আজ তাদের হৃদয়।
২. তোমায় আমি-জীবনানন্দ দাশ

তোমায় আমি দেখেছিলাম ব’লে
তুমি আমার পদ্মপাতা হলে;
শিশির কণার মতন শূন্যে ঘুরে
শুনেছিলাম পদ্মপত্র আছে অনেক দূরে
খুঁজে খুঁজে পেলাম তাকে শেষে।
নদী সাগর কোথায় চলে ব’য়ে
পদ্মপাতায় জলের বিন্দু হ’য়ে
জানি না কিছু-দেখি না কিছু আর
এতদিনে মিল হয়েছে তোমার আমার
পদ্মপাতার বুকের ভিতর এসে।
তোমায় ভালোবেসেছি আমি, তাই
শিশির হয়ে থাকতে যে ভয় পাই,
তোমার কোলে জলের বিন্দু পেতে
চাই যে তোমার মধ্যে মিশে যেতে
শরীর যেমন মনের সঙ্গে মেশে।
জানি আমি তুমি রবে-আমার হবে ক্ষয়
পদ্মপাতা একটি শুধু জলের বিন্দু নয়।
এই আছে, নেই-এই আছে নেই-জীবন চঞ্চল;
তা তাকাতেই ফুরিয়ে যায় রে পদ্মপাতার জল
বুঝেছি আমি তোমায় ভালোবেসে।

৩. বনলতা সেন-জীবনানন্দ দাশ

হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে,
সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে
অনেক ঘুরেছি আমি; বিম্বিসার অশোকের ধুসর জগতে
সেখানে ছিলাম আমি; আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে;
আমি ক্লান্ত প্রাণ এক, চারিদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন,
আমারে দুদণ্ড শান্তি দিয়েছিল নাটোরের বনলতা সেন।
চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা,
মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য; অতিদূর সমুদ্রের’পর
হাল ভেঙে যে নাবিক হারায়েছে দিশা
সবুজ ঘাসের দেশ যখন সে চোখে দেখে দারুচিনি-দ্বীপের ভিতর,
তেমনি দেখেছি তারে অন্ধকারে; বলেছে সে, ‘এতদিন কোথায় ছিলেন?’
পাখির নীড়ের মতো চোখ তুলে নাটোরের বনলতা সেন।
সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন
সন্ধা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;
পৃথিবীর সব রঙ নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন
তখন গল্পের তরে জোনাকির রঙে ঝিলমিল;
সব পাখি ঘরে আসে-সব নদী-ফুরায় এ জীবনের সব লেনদেন;
থাকে শুধু অন্ধকার, মুখোমুখি বসিবার বনলতা সেন।

শপথের বাণী পড়িয়াছি মোরা
বন্ধন রাখিতে
অটুট, দু’টি হৃদয়ে জাগে
আপন করে পাবার অজানা
শিহরণ,

ছিন্ন হই যদি কভূ
তবুও হয় যেন
গো
সহ-মরণ।

বিকালটা আজ পাগল করা রৌদ্রের উম্মাদনায় মন প্রান তৃষ্ণায় দিশেহারা।তীব্র তাপে ঘাম যেন শরীরে অসহনীয় যন্ত্রনার গুড়ি গুড়ি ঘামের লবাক্ত বীজ।অনেক ক্ষণ হন্নে হয়ে খুজছেঁন মমি তার অশান্ত মনকে শান্ত করার নিষিদ্ধ ঔষধ ছয় ইঞ্চি পচ্চিশ এম এল মাল।ভালই হলো একটি বস্তুর খোজেঁ কত কত অচেনা অজানা স্হান যে দেখা হলো তা এক জীবনে এ এক প্রকার অভিজ্ঞতা বলা চলে।হতাশায় ছেয়ে যাওয়া হৃদয় স্হির ভালবাসার একটি শান্তি নীড় খুজেঁর পালাক্রমে ফিরে মন বার বার আপনলালয়ে।বিউটি,অনন্যা,মিলি, রাণী আরো যারা ছিল সু-সময়ে ভাল লাগার সুখের পাখি গুলো শেষ বেলায় সব যেন সময় কে বড্ড অ-সময়ে ফেলে দেয়।সেই যে শিশির ভেজাঁ ঘণ কুয়াশার সকালে বের হয় মমি ঘর ফেরার সময় যেন বেমালুম ভুলে যায় এ যেন আজকাল তার নিয়মে পরিণত হয়ে গেছে.. চোখ লাল হয়ে আসা ঝিম ঝিম নেশাত্ত্বক ব্রেনে অন্য বন্ধুদের ঘরে ফেরা দৃশ্য যেন বলে দেয়…মমি তোমারও ঘরে ফেরার সময় পার হয়ে যাচ্ছে।
তখন রাত্র এগারোটা ১৯৯৭ইং ২৩শে জুন।বাসায় ঢুকতে গিয়ে লোকের সমাগম দেখে ফিরে আসেন,ভাবেন কেনো এতো লোকের কোলাহল! এরই মধ্যে বন্ধু সাইদুরের সাথে দেখা।
-শুন,তুই ভিতরে যাবি, কি হচ্ছে তা এক্ষুনি আমাকে জানাবি।
বন্ধু বাড়ীর ভিতরে চলে গেল, মনে আসে অজানা আতংক,ভয় দাড়িয়ে থেকে একের পর এক সিগারেটের বিষাক্ত ধুম্র গলার্থ করণে ব্যাস্ত।ঠিক সেই সময় ডাকাতের ছেলে আমির আর এলাকার মেম্বার তার সামনে পড়ল হয়তো তাদের বাড়ীতে গিয়েছিল।মেম্বার তার কাছে তার কাছে আসেন।
-শোন সব আয়োজন কথা বার্তা শেষ।কোন সমস্যা নেই।
-আমি কি কোন সমস্যার কথা আপনাকে বলেছিলাম যেটার সমাধান আপনাকে করতে হবে?
মেম্বারকে এ কথা বলাতে মেম্বার যেন একটু রেগেই গেল।
-এই যা, হলো এবার… যার জন্য করি চুরি সেই বলে চোর।এত দিন যাবৎ যে সমস্যাগুলো চলছে তা সমাধানে আমাদের কোন কি দায়ীত্ত্ব নেই।
-সমস্যা চলছিল, না বলে, বলেন সমস্যা সৃষ্টি করেছেন।
-এইটা কিন্তু ঠিক নয়,আমরা তোর ভালোর জন্যই করছি।
-কোনটা ঠিক আর কোনটা বেঠিক সেটা বুঝবার বয়স আমার হয়েছে।এবার দয়া করে আমার বাড়ীর সামনে থেকে চলে যান আর কখনও এখানে নাক গলাতে আসবেন না।আমার সমস্যা আমিই সমাধান করব।
মেম্বার রাগ করে হুমকি দিয়ে চলে গেলেন।বন্ধু সাইদুর বাড়ীর ভিতর থেকে বেশ ক্লান্ত অবস্হায় হাফাতে হাফাতে মমির কাছে এলো।
-কি রে মনে হচ্ছে কোন যুদ্ধ করে এসেছিস… ঘামে একাকার….

সাইদুর হাফাতে হাফাতে বলার চেষ্টা করছে কিছুতেই মুখ দিয়ে কোন শব্দই বের করতে পারছে না আর পারবেই বা কি করে সে তো নরমাল অবস্হাই কথা বলতে গেলে তোতলাতে থাকে।তাকে শান্ত হবার সময় দেয়।
-এবার বল ভিতরে কে কে?ঘটনা কি খুলে বল।
-কি কি কিবলবো…স স সসব শে শে শেষ।
-আরে বেঠা তোর কইতে ….এতক্ষণ লাগলে আমি যে পাগল হয়ে যাবো।
সাইদুর আবারও ঘটনা বর্ননার ব্যার্থ চেষ্টা তোতলামীতে শব্দরা যেন বার বার বেকে বসে কিছুতেই তা প্রকাশ হতে দিবে না।
-…ঠি ঠি ঠিক আছে চল….ভিতরে চল।
বন্ধুকে সাথে করে বাড়ীর ভিতর উঠোনে ঢুকতে মমি হতবাক।এই কি এখানে, এতো রাতে এতো মানুষ জন! নিশ্চয় কোন ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে হয়তো আমাকে নিয়ে।যেই ভাব না সেই কাজ।পাশের এক ভাবী উকিতেঁ উকুন কাটেন….মিষ্টি খাওয়াতে হবে!আশ্চর্য্য কি হচ্ছে এ সব, যেন হঠাৎ কোন নতুন পৃথিবীর সৃষ্টি রাতের আধারেঁ।
মমি বন্ধুকে নিয়ে নিজ রুমে দরজাটা আবঝিয়ে ভাঙ্গা টেপ রেকর্ডটায় মৃধু সাউন্ডে তপন চৌধুরীর সেই কালজয়ী গান শুনছেন…আমি সব কিছু ছাড়তে পারি…তখন রাত্র বারোটা।বন্ধুর কাছে রক্ষিত হতাশায় নিমজ্জিত কিঞ্চিৎ সূখের ঔষধ চাইতে অবাক।
-সা আলা..আমার মাথা নষ্ট নাকি তোর, তুই আমারে না দিয়াই খাইলি কেমনে….।যাক যা আছে তাই  দে….।
পুরোটা মুখে দিয়ে হাতে সিগারেট ধরায় মমি।কয়েক মুহুর্তে ধোয়ায় রুম অন্ধকার হয়ে যায় এই মুহুর্তে কেউ এলে সর্বনাস!জ্ঞান ছিল বলে তৎক্ষনাত ঘরটাকে সুগন্ধী স্প্রে করে বিসুদ্ধতায় নিয়ে আনেন।
ঘটনার বিবরণে মমি জানতে পারে সিরাজ সাহেব মানে মমির এক বড় ভাই তার ঘরে মেয়ে(অনন্যা)পক্ষের এবং বর পক্ষের লোকদের বৈঠক চলছে।যদিও তা ছিল মমির অনুমতি বিহীন হঠাৎ বৈঠক তথাপি মুরুব্বিদের না করা মমির পক্ষে কোন কালেই সম্ভব ছিল না।বেশ কয়েক দিন যাবৎ পাড়ায় গুঞ্জণ চলছিল অনন্যা এবং মমির প্রেম কাহিনী নিয়ে যা মমির ধারনার বাহিরে কেননা প্রথমা বিদায়ের পর কত ভ্রুমরতো তার জীবনে আসছে যাচ্ছে,যা ছিল খুবই নীরবে তা এতটা প্রকাশ্যে আসবে তা সে চিন্তায় আনেনি।

রাতের গভীরতার সাথে শীতের তীব্রতা বাড়তে থাকে সেই সাথে বাড়ীর উঠোনে বকুল ফুলের মাতাল হওয়া ঘ্রানে মন ছুয়েঁ যায় ভাল লাগার এক বিশেষ অনুভূতি।হঠাৎ মমির কর্ণে এলো এক অবিস্বাস্ব উক্তি।বিবাহের বৈঠকে দর কষা কষির মাঝে তার পাঞ্জেয়ানা নামাজী সহজ সরল পিতা বিরক্ত হয়ে পড়েন।
-আমার কোন কিছুই লাগবে না,মেয়ে আমার নিজের হাতে বানানো নামাজ পড়ে, রোজা রাখে,পর্দাশীল আর কি চাই…আপনারা গরুর হাটের মতো দর কষাকষি বাদ দেন।সময় তারিখ ঠিক করেন আমি সম্মতি দিলাম।
বৈঠকের সবাই আল হামদুলিল্লাহ বলেন।এবং উভয় পক্ষ আলোচনা করছেন এখন দিন ক্ষণ নিয়ে।দিন ক্ষণে কিছু চতুর অভিজ্ঞ মুরুব্বি তারা আজই বিয়ের আয়োজনের পক্ষে মত দেন, তাদের মত “শুভ কাজ দেরি করতে নেই” দেরী করলে হয়তো কোন অশুভ ছায়া পড়তে পারে।
যেমন ভাবনা তেমন কাজ কিন্তু বাদ সাধে গভীর রাত্রটি।এতো রাতে বিয়ে পড়াবার কাজী পাবেন কোথায়?তাছাড়া বিয়ের নুণ্যতম জিনিসপত্র প্রয়োজন পড়ে..এই কন্যের জন্য নাক ফুল,বরের আংটি লুঙ্গি গামছা মেয়ের শাড়ী ইত্যাদি তা সংগ্রহ করতে সময়ের প্রয়োজন তাই কিছু লোক অন্য দিনের পক্ষেও মত দেন।

কন কনে শীতে পৃথিবীর ঘর মুখী মানুষগুলো খুব দ্রুত লেপ বা কাথা জড়িয়ে আরামের নিদ্রায় নিজেদের আগামী দিনের সংসার সংগ্রামে প্রস্তুতি নেন, হয়তো এ পাড়ার মমিদের বাড়ীটিই ছিল কখনও থমথমে, কখনও উৎসবের ইমেজে।সব তর্ক যেন স্বর্গে গেলো মুরুব্বির কথাই রয়ে গেল…আজ রাতেই হবে শুভ কাজ।ভূতপ্রেত যেন এ শুভ কাজে সহযোগিতা করছেন…কে কখন কাজীকে গভীর ঘুম থেকে ডেকে নিয়ে এলো,মমির রুমেও এসে দিয়ে যায় নতুন লুঙ্গি নতুন পাঞ্জাবী এবং তর্জণীর আংটি।সে অবাক এ সব কি হচ্ছে….রুম থেকে মমি বাহিরে বেড়িয়ে এসে একটু শান্তির নিঃস্বাস নেন যখন শুনতে পেলো যার বিয়ে মানে কন্যাতো এই মুহুর্তে ঘরে নেই সে তার মামীর সাথে দেশের বাড়ীতে চলে গেছেন।বিয়ের সকল আয়োজন যেন গভীর রাতে পুজোর দেবীকে উৎসর্গ করল সাগরের মাঝে।
সময় কেটে যায় সেকেন্ড মিনিট ঘন্টার কাটা ধরে তখন রাত্র তিনটে থমথমে নীরবতার মাঝে কে যেন শুনাল আশার বাণী।কন্যা যেখানে বেড়াতে যাবার কথা ছিল সেখানে তার মামীর অসুস্হতার কারনে যাওয়া হয়নি নিকটে সে তার মামার বাসায় আছেন এবং আসছে বধু সাজতে।একেই বলে জন্ম মৃত্যু বিয়ে এই তিনটি বিষয় সম্পূর্ণ স্রষ্টার হাতে কারো ইচ্ছায় এর ব্যাতিক্রম হয় না।
অনন্যা আসে, চোখ মুখ তার কেমন যেন অস্বাভাবিক দেখা যাচ্ছে.. হয়তো সে কাচা ঘুম থেকে উঠে এসেছে।বিয়ে আয়োজনে আরো বেশ কয়েক জন গুরুত্ত্বপূর্ণ চরিত্রের উপস্হিতি লাগে, বর কনের বোন জামাইরা।বিয়ে হয় তাদের ইচ্ছেতেই আর এটা যেন আমাদের দেশের এক প্রকার অলিখিত রীতি।কনের বোন জামাই বিদেশ থাকেন সেই সুবাদে কনের বোনই যথেষ্ট আর বরের বোন জামাইকে বিয়ে আসরে আনতে কত মণ তৈল নয় খাটী গাওয়া ঘি মাখতে হয়েছিল তা কেবল ভুক্ত ভোগীরাই জানেন।
মুরুব্বিদের শাসনে মমি পড়নে পেন্টের উপরেই নতুন লুঙ্গি পড়তে হয়েছিল কন্যার দিক দিয়েও একই দৃশ্য সালোয়ার কামিজের উপর দিয়ে বিয়ের শাড়ীটি পড়তে হয়েছিল।বর কনে উভয়ে পাশাপাশি মাঝ খানে বাশের তৈরী বেড়ার পাটিসন।মাঝ রাতে নীরব বিয়ের আয়োজনে ছিল না কোন বিয়ের চিরাচরিত ওয়েডিং সং, নেই কোন আনুষ্ঠিকতা তবে স্বাক্ষী হিসাবে ছিল বিশাল আকাশেঁর জ্যোৎস্না ভরা মায়াবী চাদঁ।

ঠিক যখন ঘড়ির কাটায় রাত তিনটে ত্রিশ মিনিট তখন বর কনে কাজীর সাথে সাথে কবুল  বলেন।লজ্জাবতী কনের কবুলের উচ্চারণটি দাদী নানীর ধাক্কাতে মুখ থেকে বের হয় “কবুল”।এই একটু শব্দ কবুল সমাজ মমি অনন্যাকে বেধে দিল সারাটি জীবন দুঃখ সুখে একত্রে থাকার অনুমতি,বৈধতা দিল উভয়ের শারিরীক মানষিক কাম চরিতার্থের বৈধতার সার্টিফিকেট।
শুভ কাজের সব আনুষ্ঠিকতা শেষে বর কনেকে একত্রে বসবাসের অনুমতিতে যদিও শর্ত ছিল বর কনেকে ঘরে তুলে নিবে বিদেশ থেকে আসার দু’বছর পর কিন্তু মুরুব্বিদের ভাষ্যমতে প্রথম দিন নাকি কনেকে বরের বাড়ীর মাটি পাড়াতে হয় তাই আনুষ্ঠিকতা শেষে অনন্যা এবং মমি যখন বিয়ের আসর থেকে বরের বাড়ীতে কনেকে মাটি পাড়াতে নিচ্ছিল …তখন সেই বকুল ফুলের গাছটির নীচ দিয়ে যেতেই অনন্যা, মমির হাতটি ধরা অবস্হায় জোড়ে মমির হাতে সে আঙ্গুলে চিমটি কাটে তাতে অনন্যার মুখে যেন স্বর্গীয় সূখ,জীবনের তৃপ্তির হাসি বয়ে যায়।আর ছন্ন ছাড়া মমির ভালবাসার নীল রক্তে ভাসা নিঃস্ব হৃদয় যেন খুজেঁ পেল একটি জীবনের আরেকটি নতুন অধ্যায় সূচনা যার অনুভূতি পৃথিবীর সকল মানুষের মতো মমির হৃদয়েও বয়ে আনে আনন্দের ঝড়।

চলবে….

কৃতজ্ঞতায়:ইউটিউব&অনলাইন