Archive for January, 2015

সূর্য্যরা চারুকলা থেকে ইংরেজী নব বর্ষের শুভেচ্ছা মিছিল শেষ করে চারুকলার চত্ত্বরে একটি সভা শুরু করেন সেখানে অতিথী হিসাবে রয়েছেন চারুকলার বেশ কয়েজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক।আছেন বিশ্ব বিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীরা।মঞ্চে শুভেচ্ছা বিনিময়ের বক্তিতা চলছে।প্রায় এক ঘন্টা বক্তিতায় উঠে আসে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্হিতি এবং যুদ্ধাপরাধী বিচার প্রসঙ্গ।প্রায় বেশীর ভাগ বক্তার মতে যুদ্ধাপরাধীর বিচার এবং রাজনিতীকে কখনই একত্রে দেখা ঠিক হবে না।বাংলাদেশের রাজনিতী একটা বিষয় আর যুদ্ধাপরাধের বিচার কার্য আরেকটি বিষয় কখনই আমরা তাকে যেন একত্রে মিলিয়ে না ফেলি।বর্তমান স্বাধীনতার স্হপতির শক্তি ক্ষমতায় তার প্রস্হান ঘটলে নতুন যারা ক্ষমতায় আসবেন তারাও তা চালিয়ে যাবেন।
বক্তাদের বক্তব্য সব দিক দিয়েই সঠিক তবে একটি যায়গায় আটকে যায় এর ফিনিশিংএ ….যুদ্ধাপরাধ বিচার চালিয়ে যেতে যে মন মানষিকতার প্রয়োজন তা ক্ষমতাসীন দল ছাড়া অন্য কোন দলে নেই এ কথা অকপটে সবাই স্বীকার করলেন বক্তারা।
………………………………………………………………………………………………………………………………….. -{@
বছরের শুরুতেই রাজনৈতিক পরিস্হি ঘোলাটে হতে থাকে ৫ই জানুয়ায়ী ২০১৫ ঢাকায় একই স্হানে বি এন পি, আওয়ামিলীগ সভা করার ঘোষনা করায় আইন শৃংঙ্খলা বাহিনী সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করেন।
-এটাতো গণতন্ত্রকামী মানুষের কাম্য নয়।সমরের সহজ সরল উক্তির উত্তর দেন অভি।
তাহলে তুই কি চাস আবারও রাজাকারের গাড়ীতে দেশের জাতীয় পতাকা উড়ুক।আবারও স্বাধীনতা বিরোধীরা অর্থে বিত্ত্বে লোক বলে শক্তি অর্জন করুন?আবারও তাদের দাপটে আমাদের মায়েরা তাদের শহীদ হওয়া সন্তানদের বিচার পাবার জন্য কাদুক অনন্তকাল?
-না,তাতো কারোই কাম্য নয়।তবে এই যে  খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারের পায়তারা করছেন সরকার দলীয় লোকেরা তা কি ঠিক হবে?
-যত গর্জে তত বর্ষে না।ও সব রাজনৈতিক হুমকি কেবল।অভি আবারো প্রশ্নের তীর ছুড়েন উপস্হিত সবার মাঝে।
দেখা মাত্র গুলির নির্দেশ এটা কেনো?এটাকে কি বলবে? তাছাড়া সে একজন মন্ত্রী,আমাদের সেবক আমরা এ রকম একজন দায়ীত্ত্বশীল মন্ত্রীর কাছ থেকে এমন কথা আশা করি না।
-তা ঠিক আছে,বুঝতে হবে সে কোন অর্থে এ কথা বলেছিল।হ্যা,আমি স্বীকার করছি এমন বক্তব্য দেয়া মন্ত্রী হিসাবে ঠিক হয়নি তাতে জনগণ উল্টো বুঝবে এবং সরকারও বিপাকে পড়বে একটি লক্ষনীয় বিষয় জানিস কি এই যে দৈনিক ক্ষতি ২২৭৭কোটি ৮৬ লক্ষ টাকা এক দিনে হরতালের ক্ষতি, পর্যটন শিল্পের ক্ষতি,এই ক্ষতিটি প্রকৃত পক্ষে কাদের উপর দিয়ে যাচ্ছে…এই আমাদের মতন সাধারন জনগণের উপর দিয়ে এর জন্য ভুক্তভোগী আমরাই।রাষ্ট্র যারা চালায় কিংবা বিরোধীদলে যারা থাকেন তাদের কারো কোন ক্ষতি হয় না তারাই আবার ক্ষমতায় এলে এ ক্ষতিটিকে যে কোন কায়দায় জনগণের কাছ থেকেই তা পুশিয়ে নেবেন…..।

চারুকলা চত্ত্বরের পাশে একটু খোলা স্হানে লাল চা  আড্ডায় সূর্য্য সহ আরো বেশ কয়েক জন ভার্সিটি পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রী উপস্হিত ছিল।সেখানে একেক জনের একেক মতে আড্ডা স্হল জমে উঠছিল।জম জমাট আড্ডার এক পর্যায়ে প্রশাসনের নজর পড়ে হয়তো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে বিধায় সেখানে কর্তব্যরত এক পুলিশ অফিসার উপস্হিত হন।
-এখানে কি হচ্ছে ?
-তাতো দেখতেই পাচ্ছেন।
-উঠে পড়ুন,আর এখানে থাকাটা ঠিক নয়।
-মামুর বাড়ীর আবদার নাকি যখন যা ইচ্ছে আপনারা তাই করবেন।
সম্ভবত প্রতিবাদী ছেলেটি ঢাকার স্হানীয় কোন প্রভাবশালী রাজনীতিবিদের ছেলে ছিল ঘটনার পরক্ষণেই তা জানা যায়।
-দেখুন আপনারা স্বেচ্ছায় যদি না উঠেন তবে আমরা বাধ্য হবো…….।
সেই ছেলেটি বসা থেকে দাড়িয়ে পুলিশের সাথে তর্ক করেন।
-কি করবেন?লাঠি পিটা করবেন,কাদানে গ্যাস ছুড়বেন?আর কি আর কি?চামচামিটা একটু কম কইড়েন?
-আপনার পরিচয়টা কি বলবেন?
-কেনো?আমার পরিচয় আমি এ দেশের একজন সাধারন নাগরিক সেই হিসাবে এখানে আড্ডা মারার অধিকার আমার আছে।
-তা আছে, আর আমাদের কর্তব্য হলো আপনাদের নিরাপত্তা দেয়া।
-নিরাপত্ত্বা!হা হা হা…..এই ভাবে সভা সমাবেশ বন্ধ করে?আশ্চর্য্য আপনাদের সেবামূলক কাজ।

হঠাং বিকট শব্দ চমকে দাড়িয়ে যায় সবাই,পুলিশটি ঘটনা স্হলে যেতে কথা না বাড়িয়ে তড়িৎবেগে প্রস্হান নেন।আড্ডা ভেঙ্গে ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যায় সবাই।সূর্য্য অভি সমর দৌড়ে ঘটনা স্হলে গিয়ে অবাক হন।একটি চলন্ত বাসে কে বা কারা যেন পেট্ট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে।ড্রাইভার দরজা দিয়ে গাড়ীর ব্রেকে না জমিয়ে পলায়ন করেন।দাউ দাউ করে জ্বলন্ত বাসটি আগুল জ্বলছে এরই মধ্যে যে যেখান দিয়ে পারছেন বের হচ্ছেন।কারো পোষাকে জ্বলন্ত আগুন কারো বা আগুনের স্ফুলিঙ্গে মাথার চুল পুড়ে যাওয়া অবস্হায় জানালার কাচ ভেঙ্গে লাফিয়ে লাফিয়ে জীবনকে রক্ষা করার আপ্রান চেষ্টার অব্যাহত।

জ্বলন্ত গাড়ী হতে নিজেকে আত্ত্ব রক্ষা করতে সবচেয়ে বেশী কষ্টকর মহিলা আর শিশুদের।তৎক্ষনাত পুলিশ বাহিনী এসে ধীরগতি চলন্ত বাসটিকে স্হির করান এবং ফায়ার সার্ভিসের বাহিনী জল ছুড়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন তত ক্ষনে বেশ কয়েজন অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।দু,তিন জন অগ্নিদগ্ধ হয়ে বাসের ভিতরেই মারা যান তার মধ্যে একটি শিশুও ছিল।কাউকে সনাক্ত করার মতো শারীরিক অবস্হা তাদের ছিল না।উত্তপ্ত তেলে আস্ত মুরগী ভাজলে মুরগীটি যেমনটি দেখায়…… দু’হাত পা স্টিল নাইনটি এঙ্গেলে উচু করে স্টিল,পুড়ে যাওয়া শরীরের মাংসগুলো চিড় ধরা ফাটা ফাটা হলদে ফ্যাকাসে,চোখঁ দুটোর কোন অস্হিত্ত্ব নেই….বিভৎসতার আর কোন সজ্ঞা আমার জানা নেই।আহত লোকজনের আহাজারী,লাশের খোজাখুজি পরিবেশ যেন এক ভয়ার্ত নগরীতে রূপ নিয়েছে ,,,,,,,শিশুটির পাশে শোকে কাতর কোন মতে বেচে যাওয়া তার মা কিংবা চাচী বুক থাবরানো আত্ত্ব চিৎকারে আকাশ যেন বিষন্নতার বায়ুতে অন্ধকার হয়ে যায়…..
অাল্লাহ”গো কি ক্ষতি আমি করেছিলাম আমাকে কেনো এত বড় শাস্তি দিলে!আমার বুকের ধন… আমারি চোখের সামনে এমনি ভাবে পুড়িয়ে মারলে?তার আগে আমারে কেন মরন দিলানা।কি ভাবে এ শোক আমি সইব?
উপস্হিত কারো মুখে কোন শব্দ নেই,সেখানে কেবল শ্মশানের নীরবতা,কেমন যেন এক হাহকারে শব্দ জনতার ভীড়ে। এ কেমন বর্বরতা  জনগণের দাবী আদায়ে রাজনৈতিক দলগুলোর এ কেমন কর্মসূচী?

অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে জনতা,ক্রন্দনরত দৃষ্টিতে বৃষ্টির জলের অঝোর ধারা প্রবাহিত।এ সব কি হচ্ছে শান্তিকামী দেশে  একে অন্যের ক্যাম্প পোড়ানো,নির্বিচারে মানুষ হত্যা,রাষ্ট্রের সম্পদের বিনষ্ট বা ধ্বংস করা।না আর ভাবতে পারছেন না সূর্য্যরা…এ সমস্যার সমাধান কোথায়?আওয়ামিলীগ কিংবা বি এন পির মধ্যে মানুষের কোন বিবেদ নেই যত বিবেদ জামাত এবং যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে।

সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলো সূর্য্যরা সেখান থেকে ফিরে এসে দোয়েল চত্ত্বরে বসেন।পরিস্হি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ বিজিবির গাড়ীর শো শো আনাগোনা যেন কোন যুদ্ধগ্রস্হ রাষ্ট্রে বসবাস তাদের।
-নাহ,আর ভাল লাগছে না…দেশের পরিস্হিতি দিন দিন কেমন যেন হয়ে যাচ্ছে।আমার মতে বি এন পি যদি জামাতকে ছাড়তে পারত তবে রাজনৈতিক অন্ধকার অনেকটাই পরিষ্কার হতো।এমনটি যদি হতো,যে যুদ্ধাপরাধীর বিচারকে আরো তরিৎ করতে রাজনৈতিক দলগুলো সব ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন।আমরা সেদিনের অপেক্ষায়,স্বাধীনতা যুদ্ধে আমাদের পূর্বপুরুষদের কাছে অঙ্গীকার বদ্ধ যে কোন মূল্যে তাদের ঋণ শোধের বদলা আমরা নিবোই……………।
চলবে….

প্রজন্মের ঋণ শোধ ১৮তম পর্ব

চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম একজন খাটী বাঙ্গালী তার নামের মাঝেই মিশে আছে ত্রিশ লক্ষ শহীদের আত্ত্ব ত্যাগে পাওয়া রক্তাক্ত পবিত্র মৃত্তিকার ঘ্রান।তিনি বরাবর গর্বো করতেন নামের প্রথমে চাষী লেখাটি নিয়ে।আজ সেই ব্যাক্তটি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।ছোট মেয়ে আন্নী ইসলামের কথা মতে তার বাবা দীর্ঘ দিন ধরেই অসুস্হ ছিলেন তবে দিন দশেক আগে আবারও তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।তার বাবার শরীরে ক্যানসার ধরা পড়েছে ।শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় পর পরই দ্রুত তাঁকে কেবিন থেকে আইসিইউতে (নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে) নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তার বাবা চাষী নজরুল ইসলামকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়।অবশেষে চিরস্হায়ী দেশে চলে গেলেন
(y) চাষী নজরুল ইসলাম সব মিলিয়ে ৩৫টির মতো ছবি নির্মাণ করেন এর মধ্যে ছয়টি ছিল মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক।
চলচ্চিত্রগুলো হলো -{@ ‘সংগ্রাম’,‘ধ্রুবতারা’, ‘শহীদ ক্যাপ্টেন সালাউদ্দীন’, ‘দেবদাস’, ‘শুভদা’, ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’, ‘হাছন রাজা’,ভূল যদি হয়, ‘সুভা’ এবং ওরা ১১ জন ,ভালো মানুষ – (১৯৭৫),বাজীমাত – (১৯৭৮),চন্দ্রকথা – (১৯৮৫),লেডি স্মাগলার – (১৯৮৬),মিয়া ভাই – (১৯৮৭),বেহুলা লক্ষিন্দর – (১৯৮৭),বিরহ বেথা – (১৯৮৮),মহাযুদ্ধ – (১৯৮৮),বাসনা – (১৯৮৯),দাঙ্গা ফাসাদ – (১৯৯০),দেশ জাতি জিয়া – (১৯৯৩),আজকের প্রতিবাদ – (১৯৯৫),শিল্পী – (১৯৯৫),হাঙর নদী গ্রেনেড – (১৯৯৫),কামালপুরের যুদ্ধ – (২০০২),মেঘের পরে মেঘ – (২০০৪),শাস্তি – (২০০৫),দুই পুরুষ – (২০১১)
স্বাধীনতা যুদ্ধের পরবর্তী সেই সময়ে এই নক্ষত্রের আর্বিভাব না ঘটলে মুক্তিযুদ্ধকে এত সুন্দর করে সেলুলয়ের ফিতায় উপাস্হিত ভাবে পেতাম না আর আমরা যারা নতুন প্রজন্ম যুদ্ধ দেখিনি যুদ্ধের ভয়াভহতায় একটি নতুন দেশের সৃষ্টির ইতিহাস আমি মনে করি ওরা১১জন ছবিটি দেখেই বুঝেছি।
এবং অল্প পরিসরে চাষী নজরুল ইসলামের কর্মময় জীবন
-{@
(y) তত্‍কালীন সময়ের কিংবদন্তীতুল্য পরিচালক ফতেহ্ লোহানীর সহকারী হিসেবে ১৯৬০ সালে চলচ্চিত্র জগতে কর্ম শুরু করেন।
(y) ১৯৬৩ সাল থেকে প্রখ্যাত সাংবাদিক ও চলচ্চিত্রকার ওবায়েদ-উল-হক এর সঙ্গে কাজ করেছেন।
(y) ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
(y) বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধ নির্ভর পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’ নির্মাণ ও পরিচালনা করেন।
(y) পরবর্তীতে আরও প্রায় বাইশটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র সাফল্যের সঙ্গে নির্মাণ করেন।
(y) সম্পূর্ণ সরকারী অর্থানু কূল্যে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ তিন মহত্‍ ব্যক্তি মাওলানা ভাসানী, শেরে বাংলা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘটনা বহুল জীবন ভিত্তিক প্রামাণ্য চিত্র নির্মাণ করেন।
(y) সরকারী অনুদান প্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ নির্মাণ করেন।
(y) জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র প্রযোজিত প্রামাণ্য নাট্য চিত্র ‘নতুন দিগন্ত’ পরিচালনা করেন।
(y) বাংলাদেশ সেনা বাহিনী প্রযোজিত প্রথম মুক্তি যুদ্ধ ভিত্তিক প্রামাণ্য চিত্র ‘কমলাপুর যুদ্ধ’ পরিচালনা করেন।

সামাজিক ভাবে অন্যান্য ঈর্শণীয় কর্মকান্ডেও তার অবদান ছিল তুলনামূলক
-{@ ভাইস প্রেসিডেন্ট (২০০৩) ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাব।
-{@ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি।
-{@ সাংস্কৃতিক সম্পাদক শত নাগরিক সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী।
-{@ উপদেষ্টা, জাতীয়তাবাদী চলচ্চিত্র পরিষদ।
-{@ সমরপুর হাইস্কুলের পরিষদ সদস্য।
-{@ চেয়ারম্যান, সায়েস্তাখানম, চাষী আজিজুল ইসলাম ট্রাস্টী বোর্ড।
-{@ সদস্য-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের চতুর্থ বারের মতো
-{@ সাবেক সদস্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যৌথ প্রযোজনা কমিটি br> – সাবেক নির্বাহী সদস্য- চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতি
-{@ সাবেক সদস্য ঢাকা মেট্রোপলিটন ফুটবল লিগ এসোসিয়েশন (ডামফা)
-{@ সাবেক ফুটবল সম্পাদক (১৯৭৬-৮১) ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাব।
একটি সাক্ষাৎকার


– যুদ্ধ চলাকালীন অবস্থায় আমার মাথার কাজ করত, কি করে যুদ্ধের এই অবস্থা ছবিতে তুলে আনা যায়। আমি তখন গুপীবাগে থাকি। বাসায় বসে আছি আর ভাবছি যে একটা ছবি করবো। মাসুদ পারভেজ (সোহেল রানা) বললো, ‘চলেন ছবি করি।’ আমি বললাম, ‘ছবি করবো টাকা কোথায়?’ ও বলল, ‘চলেন ছাত্রনেতা খসরুর কাছে যাই।’ তিনি আমাকে দেখে চিনলেন। বললাম, ‘মুক্তিযুদ্ধের ছবি বানাবো, আপনি অভিনয় করবেন।’ খসরু টাকার সন্ধান বললেন। স্টার ফিল্ম কর্পোরেশন তখন বড় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। ইফতেখারুল আলম কিসলু ছিলেন কর্ণধার। তাদের মালিকানায় তখন স্টার, মুকুল সহ ১১টি সিনেমা হল। প্রথম গেলাম স্টার সিনেমা হলে। আমরা বললাম, ‘কিসলু ভাই আমরা ছবি বানাবো কিন্তু টাকা নেই, আপনাকে টাকা দিতে হবে।’ ইফতেখারুল আলম পরামর্শ দিলেন, ‘আপনারা শের আলীর কাছে যান।’ হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজের পাশে একটি বাড়ীতে তিনি থাকেন।

শের আলী একজন মাড়োয়ারি ব্যাবসায়ী, গেলাম তার কাছে। উনি তো খসরুকে দেখে ওর কথায় ভয়ই পেলেন। কারণ ‘৬৯-এ আইয়ূব খান বিরোধী আন্দোলনের এক পরিচিত মুখ ছিলেন খসরু। পরে আমাদের বসতে বললেন, অরেঞ্জ জুস দিলেন। পরে বললেন কত টাকা লাগবে। তিনি ভয়ে ভয়ে ব্রিফকেস বের করে দিলেন। আমরা বললাম, ‘আমরা কিন্তু ছিনতাই বা লুট করতে আসিনি। আমরা ছবি বানাবো আপনি ডিস্ট্রিবিউটার হবেন, সেইভাবে এগ্রিমেন্ট করে টাকা দেন।’ তিনি আমাদের কথা শুনে অবাক হয়ে গেলেন। আমাদের পরের দিন যেতে বললেন। ইফতেখার কিসলুকে বললেন, জহির রায়হানের সাথে যে এগ্রিমেন্ট আমাদের আছে, সেই পুরাতন এগ্রিমেন্ট বদলে আমাদের নামে করতে।

ছবির কাহিনী নিয়ে আলোচনা করলাম। তখন তিনি আমাদের সোয়া ৩ লাখ টাকার চেক দিলেন। টাকা নিয়ে আমরা কাজ শুরু করলাম। ‘ওরা ১১ জন’ নামটি নিয়ে অনেক ভেবেছি। মুক্তিযুদ্ধে ১১ সেক্টর, ‘৬৯ এর ১১ দফা দাবী। আমাদের ছবিতেও ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা থাকবে। ১১ জনের মধ্যে ১ জন হিন্দু, ১ জন খ্রিস্টান, বাকি ৯ জন মুসলমান।

জয়দেবপুর ক্যান্টনমেন্টে গেলাম শুটিং করতে। তখন জয়দেবপুর ক্যান্টনমেন্টের সিও (কমান্ডিং অফিসার) ছিলেন কর্নেল শওকত আলী। ছবিটি যখন এডিটিং করছি তখন এডিটর বললেন কত খরচ পড়ল? বললাম সাড়ে ৩ লাখ। তিনি বললেন ২০ লাখ টাকার ব্যবসা করবে। পরে ছবি হিট হলো। ছবিটি অভিসার ও মধুমিতায় এক নাগাড়ে ছয় সপ্তাহ প্রদর্শিত হয়েছে।
– হ্যা, ঠিকই শুনেছেন, ‘ওরা ১১ জন’-এর কাহিনীর বাস্তব ভিত্তি রয়েছে। আর ‘ওরা ১১ জন’ নামটি দেয়া হয়েছে দুটি কারণে। প্রথমত -{@ , ১১ জন মুক্তি যোদ্ধা মানে এগারোজন সেক্টর কমাণ্ডার, দ্বিতীয়ত এগারো দফা আন্দোলন। এই এগারো দফা আন্দোলনই কিন্তু পরে স্বাধীনতার আন্দোলনে রূপান্তরিত হয়। তারপর ছবির টাইটেলে যখন ‘ওরা ১১ জন’ নামটি আসে, তখন নেপথ্যে ছয়টি কামানের গোলা ছোঁড়ার শব্দ শোনা যায়। অর্থাত্‍ এগারো দফার জন্যেই যে আমরা ছয় দফা পাই সেটি প্রতীকি ব্যঞ্জনায় উদ্ভাসিত হয়েছে।
…………………………………………………………..জন্ম ও বংশগত সংক্ষিপ্ত পরিচয়…………………………… -{@
১৯৪১ সালের ২৩ অক্টোবর বিক্রমপুর শ্রীনগর থানার সমষপুর গ্রামে আজকের চাষী নজরুলের জন্ম। চাষী ছিলেন বাবা-মায়ের জ্যেষ্ঠপুত্র। বাবা মোসলেহ উদ্দিন আহম্মদ, ভারতের বিহারে টাটা আয়রন এন্ড স্টীল কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। বাবা মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ লস্করের পূর্বপুরুষেদের সমন্ধে যা জানা যায় সে অনুযায়ী প্রথম পুরুষ আমিন লস্কর, তারপর মোমেন লস্কর। এভাবে আহমেদ লস্কর, জরিপ লস্কর তারপর চাষীর দাদা হেলাল উদ্দিন আহমদ লস্কর। জানা যায়, শেরেবাংলা এ. কে. ফজলুল হক চাষীর নাম রেখেছিলেন। চাষীর মামা চাষী ইমাম উদ্দিন শেরেবাংলা এ. কে. ফজলুল হকের সঙ্গে রাজনীতি করতেন এবং নবযুগলাঙ্গল পত্রিকার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সেই সূত্রেই একদিন ফজলুল হককে একটা নাম দিতে বলা হলে তিনি চাষী ইমাম উদ্দিনের ‘চাষী’ আর কাজী নজরুল ইসলামের ‘নজরুল ইসলাম’ মিলিয়ে একটা নাম দেন।

সবাই কাদিয়ে ঝড়ে গেল আরো একটি নক্ষত্র আমরা তার বিদেহী আত্ত্বার মাগফিরাত কামনা করছি।

কৃতজ্ঞতায়
গুণীজন
এবং ইউটিউব,উইকিপিয়া

আমাদের সবার প্রিয় সোনেলা ব্লগের বন্ধু ব্লগার আলমগীর হোসাঈন এর পোষ্ট থেকে নেয়া।

https://www.facebook.com/alamgir.hussain.10/media_set?set=a.10204433461946807.1073741895.1539118083&type=3

রাজনীতির অন্তরালে রাজনিতী যা সাধারন জনগণের বোধগম্য নয়।আর আমাদের বাংলাদেশের রাজনিতী তো ”রা” এক দিকে চললে নীতি চলে তার বিপরীত।স্বাধীনের পর হতেই বাংলাদেশের মানুষগুলো গণতন্ত্র গণতন্ত্র বলতে বলতে হয়রান।দীর্ঘ নয় বছরের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান করে ‘৯০ এর গণ অান্দোলনে মধ্য দিয়ে আমাদের লুকায়িত স্বপ্ন গণতন্ত্রের বিজয় হয়।বাংলার মানুষ আশা জাগে হয়তো এবার ভঙ্গুর বাংলাদেশটা ঘুড়ে দাড়াবে।’৯০ এ দেশের বৃহত্তম দুটি দল বহু বছর পর এক সঙ্গে একত্রে হয়ে এই প্রথম জাতীয় কোন স্বার্থে ঐক্যতায় পৌছে জনগণের চাহিদা পূরণ করেন।
“৯০ এর পর বেশ কয়েক বছর ভাল ভাবেই দেশের অর্থনিতীর চাকা সচল ছিল বাদ সাধে ক্ষমতার পালা বদলে।বলি হয় আমজনতা রাষ্ট্র ফিরে পায় তার কর্তা।জনগণ ছাড়েন স্বস্তিতে নিঃস্বাস তবুও যেন গণতন্ত্রের সূর্য্যে মেঘের ঘন ঘটা।ক্ষমতা অর্জনে দু’দলর প্রয়োজনে প্রতিষ্টিত হন রাজাকার আলবদর।প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা কিংবা প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস কলংকিত হতে থাকে।নতুন প্রজন্মের মধ্যে হতাশা কোনটি আসল আর কোনটি নকল মুক্তি যুদ্ধের ইতিহাস।স্বয়ং মুক্তি যোদ্ধাদের মাঝেও দ্বিধা বিভক্তি দেখতে পাই।
সাম্প্রতিক কালে গত বছরের শেষের দিকে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা একে খন্দকারের “৭১ এ ভিতর বাহির বইটি প্রকাশে পর পর বেশ আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয় এখান থেকে “৭১ এ ভেতরে বাইরে বইটি ডাউন লোড করতে পারেন।সে শুধু লেখক না সে একজন মুক্তিযোদ্ধা বীর উত্তম তার সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আকারে ধারনা নিতে পারেন…………………………………………………………………………………………………………………………………………..
“৭১ যুদ্ধের সময় পাকিস্তান বিমানবাহিনীর ঢাকা ঘাঁটির সেকেন্ড ইন কমান্ড। মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়ে ১৫ই মে ত্রিপুরার মতিন নগরে পৌঁছার পর মুজিব নগর সরকার তাকে মুক্তিযুদ্ধের উপ-প্রধান সেনাপতি নিয়োগ করে। এরপর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ও রণাঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। এক পর্যায়ে নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে  গড়ে তোলেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনী, তারপর হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে পরিচালনা করেন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সফল অভিযান। ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে তিনিই ছিলেন বাংলাদেশের প্রতিনিধি। মুক্তি যুদ্ধে অবদান রাখায় ১৯৭২ সালে তাকে ভূষিত করা হয় বীর উত্তম খেতাবে। স্বাধীনতার পর এ কে খন্দকার হন বিমান বাহিনীর চিফ অব এয়ার স্টাফ। একই সঙ্গে তিনি ছিলেন বাংলাদেশ বিমানের চেয়ারম্যান। ’৭৫-এ বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর তিনিই প্রথম প্রতিবাদ স্বরূপ সরকারি পদ ত্যাগ করেন। ১৯৭৬-৮২ সালে অস্ট্রেলিয়ার এবং ১৯৮২-৮৬ সালে ভারতে বাংলাদেশের হাই কমিশনার ছিলেন তিনি। পরে ১৯৮৬-৯০ সালে হন পরিকল্পনা মন্ত্রী। ১৯৯৮ ও ২০০১ সালে নির্বাচনে পাবনা-২ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) এ কে খন্দকার। ২০১১ সালে আবার পরিকল্পনা মন্ত্রী হন তিনি। ২০১১ সালে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করা হয় তাকে। ২০০১-০৬ সালে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম গঠন এবং এতে নেতৃত্ব দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। এত সব গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের ফাঁকে ফাঁকে লিখেছেন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা।
তার এই বইটি সম্পর্কে  কেউ কেউ ইতিহাস বিকৃতির যড়যন্ত্র বলেছেন।নতুন প্রজন্মরা এর পক্ষে বিপক্ষে বহু মত প্রকাশও দেখতে পায় তবে প্রবীনরা তা কেউ পরিষ্কার করে দেখাতে পারেননি আসলে সত্যি কোনটি।আমার মতে যা হয়েছে তা যথেষ্ট আর নয় বঙ্গ বঙ্গু ইজ বঙ্গ বন্ধু তার কোন ব্যাতিক্রম নেই সে আমাদের বাংলাদেশের জাতির পিতা বাংলাদেশী স্হপতি স্বাধীনতার ঘোষক প্রথম রাষ্ট্রপতি সব তার উপর বর্ত্যায় এ সব পদবী তার জন্ম না হলে সৃষ্টি হতো না এ সব মানতে পারলেই আপনি বাঙ্গালী কিংবা বাংলাদেশী নতুবা অবশ্যই আপনি ভিনদেশী।আর একটি বিষয় লক্ষনীয় ব্যক্তি তখন পর্যন্ত একটি পরিবারের যতক্ষন সে পপুলারিটি হন।সুতরাং নিঃসন্দেহে বলা যায় বঙ্গ বঙ্গু একজন পপুলারিটি ব্যাক্তি হিসাবে সে কোন গোত্রের হতে পারেন না সে সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের।এই অনুধাপন অবশ্যই আওয়ামিলীগকে বুঝতে হবে।

অনেক কথা হলো লাইন রেখে বে লাইনে হাটলাম এখন মূল কথায় আসি।গণতন্ত্রের পূর্ণরুদ্ধারের এ লড়াইয়ে আপাতত দৃষ্টিতে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামিলীগকেই জয়ী বলে মনে হচ্ছে।তারেক জিয়া এবং চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বি এন পির অন্যান্য নেতাদের গণতন্ত্রের আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ার  নির্দেষ দিয়েছেন।যার লাইভ দেখতে পাই অফিস গেইটে পুলিশ প্রহরায় তালা এবং সাধারন জনতার মতে বিরোধীদলীয় নেত্রী অবরুদ্ধ তার চার পাশ ঘিরে ইট আর বালুর ট্রাক দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে রেখেছেন সরকার এবং সারা রাজধানী জুড়ে আতংক বেপক ধর-পাকড়া বিভিন্ন পয়েন্টে বিজিপি মোতায়েন ।এ সব আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ঘুড়ে দাড়াতে চায় জামাত।সোমবার দশম সংসদ নির্বাচনের বর্ষপূর্তির দিন ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবসের’ কর্মসূচি পালনে ব্যর্থ হন যে কারনে ভেস্তে গেল আন্দোলন  তা অতি সিম্পল বি এন পির পূর্ব পরিকল্পনার কথা সরকারী গোয়েন্দারা জেনে যায় এবং সেই মোতাবেক যে যেখানে ছিলেন তাকে সেখানেই স্টপ করে দেন সরকার এবং পরিবহন সেক্টরে,মিছিল মিটিং চলাচলে কিছু স্হানে ১৪৪ ধারা জারি করেন।বি এন পির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব  ফখরুল প্রেসক্লাবে অবরুদ্ধ সোমবারে একটি অনুষ্টানে আসা গ্রেফতার এড়াতে সেখানেই রাত কাটানো সম্ভবত তিনি গ্রেফতার হতে পারেন।সর্বোশেষ বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া  অনিদিষ্ট কালের জন্য অবরোধ দিলে শুরু হয় মানুষের ভোগান্তি।অবরোধের প্রথম দিনটি ঢাকায় তেমন সাড়া পড়েনি অবরোধ চলছিল গাড়ী, চলছিল ঘোড়াও মানুষ এখন বড় এই দুটি দলের প্রতি বিরক্ত।

গণতন্ত্র পূর্ণরুদ্ধার আন্দোলনের সূত্রপাতটি ছিল গত ২০১৪ সালে জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেই নির্বানে দেশের অধিকাংশ মানুষই ভোট দিতে পারেননি কেননা সেই বিতর্কীত নির্বানে বৃহত্তম দল বি এন পি অংশ গ্রহন করেননি আর সেই কারনে দেশের প্রায় প্রতিটি আসনেই প্রতিদ্বন্দিতা ছিল না বিধায় ভোটহীন সাংসদ হয়ে যান অনেকেই যা একটি গণতন্ত্র রাষ্ট্রের নীতির বিপরীত।সেই কারনে বাংলাদেশে সেই সময়ে মানবিধিকার পরিস্হিতি ছিল বড় শোচনীয়।শুধু মাত্র সিংহাসনে কে কি ভাবে বসবেন তা নিয়ে ঘটে এত সব হাঙ্গামা।আজ স্বাধীনের এত বছর পর ভাবতে অবাক লাগে কি ভাবে এ জাতি ঐক্যতায় দেশটি স্বাধীন করেছিল!।

সত্যি বলতে কি দুটি বড় রাজনৈতিক দল ক্ষমতার শুরু থেকেই কখনও বঙ্গবন্ধু কখনও জিয়াউর রহমানকে নিয়ে বিতর্কে এমন সব ভাষা বা কথ্য ব্যাবহার করেন যে এক জন পাগলও করবেন না তাদের এমন কথায় তারা লাভবানের চেয়ে সাধারন জনগণের মাঝে নেতা নামক সন্মানের ক্ষতিকর দিকটিই পরিলক্ষিত হয়।ইতিহাসে যার স্হান যেখানে সে সেখানেই থাকবেন সন্মানের সহিত জনতার হৃদয়ে আর এটাই হওয়া উচিত।
শুধু আমাদের নয় পুরো বিশ্বে সাধারন জনগণের সাংবাদিক এবং মিডিয়া এক বিশ্বস্ত প্রতিষ্টান।বাংলাদেশের ঢাকা প্রেসক্লাব তেমনি একটি প্রতিষ্টান সেখানে গণতন্ত্রের চর্চা হয় জনগণের অধিকার রক্ষার্থে প্রতিবাদীর জন্ম হয় সেখানকার পরিবেশকে নিউটেল রাখা অথাৎ রাজনিতী মুক্ত রাখতে সকল দায়ীত্ত্বশীল নাগরিকের উচিত।অথচ সেখানেও ঘটে বিপত্তি অথাৎ রাজনৈতিক হিংস্রতা শুধু যে প্রেস ক্লাবে মারা মারি তা নয় এর বহুদিন পূর্বে দেশের সর্বোচ্চ আদালত,শিক্ষাঙ্গনেও ঘটে একই ঘটনা।তবে প্রশ্ন জাগে স্বাভাবিক ভাবেই সাধারন জনগণ ন্যায় পেতে কোথায় যাবেন?।।।।।।।।।সাধারণ জনতার সরাসরি ভোটে রাজনিতীর সিংহাসন দখল করতে সঠিক পদ্ধতির জন্য আর কত রক্ত দিতে হবে?সভা সমাবেশ করতে না দেয়া কিংবা গণ গ্রেফতারের নামই কি গণতন্ত্র?

ই-বুক

Posted: January 1, 2015 in Uncategorized

http://www.sonelablog.com/archives/26055